ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) এ মুহাম্মদ আলী জিন্নাহর ছবি প্রদর্শনের পর বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করেছে। সোমবার বিশ্ববিদ্যালয়ের ফেসবুক পেজে প্রকাশিত এক পোস্টে কর্তৃপক্ষ জানায়, এ সংক্রান্ত কিছু সংবাদ বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন ও নীতিমালার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
পোস্টে বলা হয়, ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন জুলাই গণঅভ্যুত্থানকে ধারণ করে। গত ৫ আগস্ট এই অভ্যুত্থানের স্মৃতি সংরক্ষণের লক্ষ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের মলচত্বরে একটি স্মৃতিস্তম্ভের ভিত্তিপ্রস্তর উদ্বোধন করা হয়।’
এছাড়া, ডাকসুর পক্ষ থেকে জিন্নাহর ছবি প্রদর্শনের বিষয়টি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের নজরে এসেছে। কর্তৃপক্ষ জানায়, ভাষা আন্দোলন ও বাংলাদেশের স্বাধীনতার ইতিহাসের সঙ্গে সাংঘর্ষিক ব্যক্তিদের ছবি প্রদর্শন গ্রহণযোগ্য নয়।
পোস্টে উল্লেখ করা হয়, ডাকসু কর্তৃক ‘নির্ভীক জুলাই’ নামে একটি স্মৃতিস্তম্ভ স্থাপন করা হয়েছে, যা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট বা উপাচার্যের অনুমতি ছাড়া করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব আইন অনুযায়ী, এই ধরনের কর্মকাণ্ড অনুমোদনহীন।
বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানায়, ডাকসুর শিক্ষক মূল্যায়নের জন্য ওয়েবসাইট চালুর বিষয়ে বলা হয়েছে, এটি বিশ্ববিদ্যালয়ের নীতিমালার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয় এবং শিক্ষকদের ব্যক্তিগত তথ্য প্রকাশ করা আইন অনুযায়ী অপরাধ।
অবশেষে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ স্পষ্ট করে জানায়, বিশ্ববিদ্যালয়ে কোনো ধরনের দ্বৈত প্রশাসন প্রতিষ্ঠার সুযোগ নেই এবং ডাকসুর কর্মকাণ্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন ও বিধির মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকতে হবে।