গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলায় দুই বছর ধরে নিরাপদ পানির সংকট চলছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, সাড়ে ৪ কোটি টাকায় নির্মিত পানি শোধনাগারটি রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে কার্যকর হচ্ছে না।
এই শোধনাগারটি ২০২৪ সালের জুলাই মাসে উদ্বোধন করা হয়, তবে দুই মাসের মধ্যে কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যায়। বর্তমানে ৬০০ পরিবারের মধ্যে ক্ষোভ ও হতাশা বৃদ্ধি পাচ্ছে।
গাইবান্ধার জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. সায়হান আলী জানিয়েছেন, পরিকল্পনা অনুযায়ী ১২০০ পরিবারকে নিরাপদ পানি সরবরাহের কথা ছিল, কিন্তু মাত্র ৬০০ পরিবারকে সংযোগ দেওয়া হলেও তারা এখন সুবিধা পেতে পারছেন না।
সুন্দরগঞ্জ পৌরসভার প্রশাসক ঈফফাত জাহান তুলি বলেন, “সংযোগ লাইনের ত্রুটি, কারিগরি সমস্যা এবং প্রয়োজনীয় জনবল না থাকার কারণে শোধনাগারটি চালাতে পারছি না। তাই এটি ইজারা দেওয়ার প্রস্তুতি চলছে।”
স্থানীয় বাসিন্দারা শোধনাগারটি দ্রুত চালুর দাবি জানিয়েছেন, যাতে তারা নিরাপদ পানি পেতে পারেন।