রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
ব্রেকিং
মেক্সিকোতে সংগীতশিল্পী ও অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীর হত্যাকাণ্ড তিব্বতে ফের ভূমিকম্প, বন্যা ও ভূমিধসের পর পরিস্থিতি জটিল চুয়াডাঙ্গায় ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে মহিলা মাদ্রাসার শিক্ষক আটক টরন্টোতে শক্তিশালী ঝড়, হাজার হাজার বাসিন্দা বিদ্যুৎহীন মিনিয়াপোলিসে অ্যাপার্টমেন্টে বন্দুক হামলা, নিহত ৩ নেপাল-চীন সীমান্তে ভূমিধসে মৃত্যু বেড়ে ১,২৪৩, নিখোঁজ ৪,৫০০ মিনিয়াপোলিসে বন্দুকধারীর হামলায় দুই নিহত, তিন পুলিশ আহত ইরানে মার্কিন হামলায় নিহতের সংখ্যা ১৯, ট্রাম্পের নতুন হামলার হুমকি নেপালে বন্যা-ভূমিধসে প্রাণহানি ১ হাজার ১২৭, নিখোঁজ ৪ হাজার ৮০০ ইরান-আমেরিকা নতুন হামলা: সর্বশেষ আক্রমণে কাদের ক্ষতি হলো?
রাজনীতি

মার্কেন্টাইল ব্যাংকের বিরুদ্ধে অর্থ লোপাটের গুরুতর অভিযোগ

মার্কেন্টাইল ব্যাংকের বিরুদ্ধে বিপুল অর্থ লোপাটের অভিযোগ উঠেছে, তদন্ত চলছে।

মার্কেন্টাইল ব্যাংকের বিরুদ্ধে অর্থ লোপাটের গুরুতর অভিযোগ

মার্কেন্টাইল ব্যাংকের বিরুদ্ধে বিপুল অর্থ লোপাট ও গুরুতর অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের নিরীক্ষা প্রতিবেদনে উঠে এসেছে, ব্যাংকের ক্যালেন্ডার ও ডায়েরি কেনার নামে প্রায় দুইশো কোটি টাকা আত্মসাৎ করেছেন ব্যাংকটির পরিচালক আব্দুল আওয়াল।

অভিযোগে বলা হচ্ছে, গরিবদের মাঝে কম্বল বিতরণের নামে সিএসআর তহবিলের অর্থও লুটেছেন পরিচালকরা। বাংলাদেশ ব্যাংকের তদন্তে উঠে এসেছে একের পর এক অনিয়মের তথ্য, যেখানে ব্যাংকটির বেশ কিছু বেআইনি কার্যক্রম শনাক্ত করা হয়েছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, ব্যাংকের নীতিমালা অনুযায়ী, একজন পরিচালক বোর্ড সভা থেকে সর্বোচ্চ ১০ হাজার টাকা সম্মানি পেতে পারেন। কিন্তু মার্কেন্টাইল ব্যাংকের বোর্ড সভায় পরিচালনা পর্ষদের সদস্যদের এক লাখ টাকা পর্যন্ত সম্মানি দেয়া হয়েছে।

এছাড়া, ২০১৮ সাল থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত ১১০ কোটি টাকার কম্পিউটার কেনার কথা থাকলেও, তার ৮০ শতাংশ অর্থ আত্মসাৎ করার অভিযোগ উঠেছে। ব্যাংকটির পরিচালকদের বিরুদ্ধে হাসপাতাল নির্মাণের নামে ২৫ কোটি টাকা লুটেরও অভিযোগ রয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান বলেন, "কেউ অনিয়ম করলে ছাড় দেওয়া হবে না।" তদন্তে ব্যাংকটির চিফ ফাইন্যান্সিয়াল অফিসার তাপস চন্দ্র পালকে শোকজ করা হয়েছে।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, ব্যাংকটির পরিচালনা পর্ষদ ভেঙে দেওয়ার সুপারিশ করা হলেও, তা ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা চলছে। সিপিডির সম্মাননীয় ফেলো ফাহমিদা খাতুন বলেন, "অতীতের মতো তদন্ত ধামাচাপা দেওয়ার অভিযোগ দুঃখজনক। এজন্য কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দরকার।"

ব্যাংকটির সাথে বার বার যোগাযোগ করা হলেও, কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

বিজ্ঞাপন