ফ্যাসিবাদ বিরোধী শক্তির মধ্যে অনৈক্য দেখা দিয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বিশিষ্টজনরা। তাদের মতে, ক্ষুদ্র ব্যক্তি ও দলীয় স্বার্থের কারণে এই অনৈক্য সৃষ্টি হয়েছে। জুলাই মাসে জাতীয় সনদের বাস্তবায়ন না হওয়াও অনৈক্যের একটি বড় কারণ হিসেবে চিহ্নিত করা হচ্ছে।
মঞ্চ ২৪ এর প্রথম বর্ষপূর্তির অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, গণভোটের বিষয়টি নিয়ে সবার মাঝে ঐক্য থাকলেও বাস্তবায়নে ভিন্নমত দেখা দিয়েছে। উদ্বেগ প্রকাশ করা হয় ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ ও সংস্কার নিয়ে। নাগরিক ফোরামের আহ্বায়ক ফাহিম মাশরুর বলেন, "জাতীয় ঐক্যটা সবচেয়ে বড় প্রয়োজন। যদি আমরা ঐক্য ধরে রাখতে না পারি, তাহলে বড় আধিপত্যবাদী শক্তির বিরুদ্ধে লড়াই করতে পারব না।"
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের সাবেক চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম জানান, "জুলাই সনদ বাস্তবায়নের জন্য সকল পক্ষ একমত হলেও বাস্তবায়নের পদ্ধতি নিয়ে মতপার্থক্য রয়েছে। জনগণ দেখতে চায় তাদের রায় জুলাই সনদ বাস্তবায়িত হয়েছে।"
সাবেক উপদেষ্টা শারমিন এস মুরশিদ মনে করেন, স্বার্থকে বড় করে দেখার কারণে ঐক্যে ফাটল দেখা দিয়েছে। তিনি বলেন, "যেই মুহূর্তে স্বার্থ প্রবাহিত হয়, স্বৈরশক্তি আবার প্রবেশ করতে শুরু করে।"
সাবেক প্রেস সচিব শফিকুল আলম জানিয়েছেন, "বিরোধী দল ও সরকারি দলের মধ্যে বিতর্কের কারণে অনেকে মনে করেন জুলাইয়ের ঐক্য বিনষ্ট হয়েছে। তবে আমি মনে করি, জুলাইয়ের ঐক্য এখনও অটুট রয়েছে।" বক্তারা জুলাই বিরোধী শক্তি যাতে অনৈক্যের সুযোগ না নিতে পারে সে বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান।