কক্সবাজারে শুল্ক ফাঁকি ও জাল কাগজপত্রের মাধ্যমে বিদেশ থেকে যন্ত্রাংশ আমদানি করে তৈরি করা তিনটি বিলাসবহুল গাড়ি জব্দ করেছে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর।
শুক্রবার বিকেল ৪টায় হোটেল ওশান প্যারাডাইসে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের চট্টগ্রাম আঞ্চলিক কার্যালয়ের অতিরিক্ত মহাপরিচালক রেজভী আহম্মেদ এ তথ্য জানান।
তিনি জানান, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে চট্টগ্রামের একটি আবাসিক এলাকায় অভিযান চালিয়ে প্রথমে একটি বিলাসবহুল গাড়ি জব্দ করা হয়। ওই গাড়ির সূত্র ধরে কক্সবাজারে অভিযান পরিচালনা করা হয়।
শুক্রবার ভোরে হোটেল ওশান প্যারাডাইসের পার্কিং এলাকা থেকে জব্দ করা তিনটি গাড়ির মধ্যে রয়েছে টয়োটা এম ক্রপ ২০২১ মডেলের লাল রঙের গাড়ি, হোন্ডা ব্র্যান্ডের লাল রঙের গাড়ি এবং মাজদা ২০২০ মডেলের টুইন গ্রে রঙের গাড়ি। তিনটি গাড়ির উৎপাদনকারী দেশ জাপান।
কাস্টমস কর্মকর্তারা জানান, গাড়িগুলোর ব্যবহারকারীরা আমদানি-সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় কাগজপত্র কিংবা গাড়ি কেনার বৈধ নথিপত্র উপস্থাপন করতে পারেননি।
এ বিষয়ে তদন্ত চলছে, যাতে নিশ্চিত হওয়া যায় যে, গাড়িগুলো শুল্ক ফাঁকি, মিথ্যা ঘোষণা, জালিয়াতি কিংবা চোরাচালানের মাধ্যমে দেশে আনা হয়েছে কি না। জব্দ গাড়িগুলো বর্তমানে কক্সবাজার কাস্টমস কার্যালয়ে রাখা হয়েছে এবং এর আনুমানিক মূল্য কোটি টাকার বেশি।
এদিকে, গাড়ি জব্দের খবর সংগ্রহ করতে গিয়ে সাংবাদিকদের কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে গাড়িগুলোর মালিকদের বিরুদ্ধে। এ সময় কয়েকজন সাংবাদিককে লাঞ্ছিত ও মারধর করার অভিযোগও পাওয়া গেছে।