নেপাল ও তিব্বতে আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধসে প্রাণহানি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫৭৯ জনে। এই ঘটনায় এখনও নিখোঁজ রয়েছে হাজারের বেশি মানুষ, যার মধ্যে কয়েকশ বিদেশি পর্যটকও রয়েছে।
বিভিন্ন এলাকার যোগাযোগ ব্যবস্থা ভেঙে পড়ায় ত্রাণ কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। উদ্ধারকর্মীরা পুনরায় কাজ শুরু করলেও নতুন করে বন্যার শঙ্কায় তাদের কার্যক্রম সীমিত হয়ে পড়ছে।
নিখোঁজ ব্যক্তিদের স্বজনরা অস্থায়ী সেনাক্যাম্প, হাসপাতাল এবং মর্গের সামনে অপেক্ষা করছেন। অনেকেই প্রিয়জনের ছবি হাতে নিয়ে সাহায্যের জন্য কর্তৃপক্ষের দিকে তাকিয়ে আছেন।
এক পর্যটক জানান, তার স্বামী শ্রীনিবাস বুধবার ভোরের আকস্মিক বন্যায় নিখোঁজ হয়েছেন। তিনি ১০ জনের একটি দলে ট্র্যাকিং করতে বেরিয়েছিলেন।
অন্য একজন জানান, তার ভাই তীর্থযাত্রায় গিয়েছিলেন এবং তার ট্র্যাভেল এজেন্ট জানিয়েছে কিছু তীর্থযাত্রী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে, তবে তাদের বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য নেই।
উদ্ধারকাজে পুলিশ ও সেনাবাহিনী সহায়তা করছে। তবে বিস্তীর্ণ এলাকা কাদা মাটিতে তলিয়ে যাওয়ায় নিখোঁজদের জীবিত উদ্ধারের সম্ভাবনা কমে আসছে।
জাতিসংঘ জানিয়েছে, বর্তমানে নেপালের প্রায় ১০ হাজার পরিবারের জরুরি সহায়তা প্রয়োজন। ইউনিসেফ জানিয়েছে, ১৭ হাজারের বেশি শিশুর জন্য মানবিক সহায়তা প্রয়োজন।
এদিকে, তিব্বত থেকে ৫ শতাধিক পর্যটককে উদ্ধার করেছে চীন। জরুরি সহায়তা ও উদ্ধারকাজে সেনা মোতায়েন করেছে শি জিনপিং সরকার। অস্ট্রেলিয়া, জাপানসহ বিভিন্ন দেশ নিখোঁজ নাগরিকদের সন্ধানে এবং নেপালের দুর্যোগে সহায়তার আশ্বাস দিয়েছে।