রাজশাহীর হাসপাতাল, ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারের অধিকাংশ প্রতিষ্ঠান তরল মেডিকেল বর্জ্য ব্যবস্থাপনার কার্যকর ব্যবস্থা না থাকার কারণে মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকির মুখে পড়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নগরীর ২১৬টি হাসপাতাল, ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারের মধ্যে মাত্র দুটি প্রতিষ্ঠানে কার্যকর বর্জ্য শোধনাগার রয়েছে। ফলে অপরিশোধিত তরল বর্জ্য সরাসরি ড্রেনে গিয়ে পড়ছে, যা পরিবেশ দূষণের পাশাপাশি নাগরিকদের জন্য স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করছে।
রাজশাহীর সিভিল সার্জন ডা. এস. আই. এম. রাজিউল করিম বলেন, 'রাজশাহীতে হাসপাতালের তুলনায় তরল বর্জ্য শোধনাগার খুবই অপ্রতুল। ফলে চিকিৎসা বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় বড় ধরনের ঘাটতি থেকেই যাচ্ছে।'
রাজশাহী বেসরকারি ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারের সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান জানান, 'ইটিপি না থাকায় তরল বর্জ্য সুয়ারেজ লাইনের মধ্যমে ফেলে দেওয়া হয়।'
পরিবেশ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মোছা. তাছমিনা খাতুন বলেন, 'পরিবেশগত ছাড়পত্র ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনার নিয়ম না মানা প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।'
এছাড়া, তরল বর্জ্য শোধনাগার নির্মাণের জন্য চলতি বছর রাজশাহী মেডিকেল কলেজসহ ৪টি প্রতিষ্ঠানকে নোটিস দেওয়া হয়েছে।