সাভার ও আশুলিয়ায় প্রেসার কুকারের বোমা জব্দের ঘটনায় আতঙ্কিত স্থানীয়রা। দুই সপ্তাহের ব্যবধানে এই ঘটনা ঘটেছে, যা স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে। পুলিশ জানিয়েছে, অপরাধ চক্রের সক্রিয়তা নিয়ে নতুন প্রশ্ন উঠেছে এবং জড়িতদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।
গত ১২ আগস্ট সাভারের সাধাপুরে একটি মসজিদের মাঠে ড্রামের ভেতর একটি টেপ দিয়ে মোড়ানো প্রেশার কুকার পাওয়া যায়। ঢাকা থেকে সিটিটিসি'র বোমা নিষ্ক্রিয়কারী ইউনিট এসে বোমাটি নিষ্ক্রিয় করে। স্থানীয়রা জানান, মধ্যরাতে অজ্ঞাত তিনজন ড্রামটি ফেলে রেখে যায়।
এর আগে ৩০ জুলাই আশুলিয়ার চারাবাগ এলাকায় একটি মুদি দোকানের সামনে ফেলে রাখা ব্যাগ থেকে প্রেশার কুকারের ভেতর বোমা উদ্ধার করা হয়। এই ঘটনার পর স্থানীয় বাসিন্দারা নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন। এক বাসিন্দা বলেন, "এটি এতটা শক্তিশালী যে, ভিড়ের মধ্যে ঘটলে হতাহতের আশঙ্কা রয়েছে।" অন্য এক বাসিন্দা নিরাপদ সাভারের দাবি জানিয়েছেন।
সাভার সিটিজেন ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক লায়ন মুহাম্মদ আলমগীর কবির বলেন, "এই নগরীকে নিরাপদ রাখতে প্রশাসনের দায়িত্ব রয়েছে।" তিনি আরও বলেন, "নিরাপত্তা নিশ্চিত না হলে অর্থনীতি ক্ষতিগ্রস্ত হবে।" পুলিশ জানিয়েছে, তদন্তের পাশাপাশি জনগণের সহযোগিতায় তথ্য সংগ্রহের কাজ চলছে।
ঢাকা জেলা উত্তরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জাহাঙ্গীর আলম বলেন, "সন্দেহজনক বস্তু পাওয়া গেলে তাৎক্ষণিকভাবে পুলিশকে জানাতে হবে।" তিনি জানান, সাভার থেকে ১১ আগস্ট ১৪টি বোমা ও বোমা তৈরির সরঞ্জাম জব্দের ঘটনায় নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন নব্য জেএমবি'র সদস্য মোহাম্মদ আরিফকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পুলিশ এই ঘটনার সঙ্গে তার সংশ্লিষ্টতা খতিয়ে দেখছে।