ভারতের লোকসভায় বুধবার পাস হয়েছে ‘পাবলিক এক্সামিনেশন (প্রিভেনশন অব আনফেয়ার মিন্স) অ্যামেন্ডমেন্ট বিল, ২০২৬’। এই বিলটি ধ্বনিভোটে পাস হয়।
বিবিসি বাংলার প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, নতুন বিধান অনুযায়ী পরীক্ষা সংক্রান্ত অসদুপায় অবলম্বন করলে কঠোর শাস্তির বিধান রাখা হয়েছে। বিলটিতে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে তদন্ত ও বিচার বাধ্যতামূলক করা হয়েছে এবং অপরাধের বিচারের জন্য বিশেষ ফাস্ট ট্র্যাকিং আদালত গঠনের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।
সম্প্রতি প্রশ্নফাঁস ইস্যুতে দিল্লিতে উত্তাল পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। সর্বভারতীয় মেডিকেল পরীক্ষার (নিট) প্রশ্নপত্র ফাঁসের কারণে ২০ জনেরও বেশি পরীক্ষার্থী আত্মহত্যা করে, যা শিক্ষাক্ষেত্রে স্বচ্ছতার দাবিতে আন্দোলনকে উস্কে দেয়। ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি) এই আন্দোলনে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করে।
গত ২৫ জুলাই কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান পদত্যাগ করেন। এর পর প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি প্রশ্নফাঁসের অপরাধের বিচারের জন্য ফাস্ট ট্র্যাকিং আদালত গঠনের ঘোষণা দেন।
ভারত সরকারের দাবি, এই বিল পরীক্ষা সংক্রান্ত অনিয়ম রোধে সহায়তা করবে। আইন সংক্রান্ত ওয়েবসাইট 'লাইভ ল'-এর তথ্য অনুযায়ী, বিদ্যমান ‘পাবলিক এক্সামিনেশন (প্রিভেনশন অব আনফেয়ার মিন্স) অ্যাক্ট, ২০২৪’-এ কিছু গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনা হয়েছে।
মূল পরিবর্তনগুলোর মধ্যে, দোষীদের জন্য সর্বনিম্ন সাজার মেয়াদ তিন বছর থেকে বাড়িয়ে পাঁচ বছর করা হয়েছে এবং সর্বোচ্চ শাস্তি পাঁচ বছর থেকে বাড়িয়ে ১০ বছর করা হয়েছে। সর্বোচ্চ জরিমানাও ১০ লাখ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৫০ লাখ টাকা করা হয়েছে।