শেরপুরের নকলার চন্দ্রকোনা ইউনিয়নের চরমধুয়ায় মৃগী নদে ব্যাপক ভাঙন শুরু হয়েছে। প্রতিদিন নদী গর্ভে বিলীন হচ্ছে ফসলি জমি ও বাড়িঘর।
চরমধুয়া নামা পাড়ার শত বছরের মসজিদ, মাদ্রাসা, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও কবরস্থান বিলীন হওয়ার পথে রয়েছে। এলাকাবাসীর মধ্যে চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে, ফলে তারা নির্ঘুম রাত কাটাচ্ছেন।
গত কয়েক বছর ধরে দফায় দফায় মৃগী নদের ভাঙনের কবলে পড়ে নিঃস্ব হয়ে পড়েছেন চরমধুয়ার নামা পাড়ার শত শত পরিবার। নতুন করে আবারও ভাঙন দেখা দিয়েছে নদীর তীরবর্তী অন্তত ১০টি এলাকায়।
এক সপ্তাহের মধ্যে নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে চরমধুয়ার নামা পাড়ার অর্ধশত একর আবাদী জমি ও অন্তত ৩৮টি ঘর। বসতভিটা ও আবাদী জমি হারিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো।
এবার বর্ষাতে ভাঙন প্রকট হলেও প্রতিরোধে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। পানি উন্নয়ন বোর্ডের দাবি, সরকারি বরাদ্দের অভাবে তারা কিছু করতে পারছে না।
শেরপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী সুদীপ্ত চৌধুরী বলেন, ‘আমরা বরাদ্দ না পেলে কীভাবে ব্যবস্থা নেব।’
এদিকে, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. জাহাঙ্গীর আলম জানিয়েছেন, স্থায়ী বেড়িবাঁধ নির্মাণের জন্য মন্ত্রণালয়ে অর্থ বরাদ্দ চাওয়া হয়েছে।
ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনের পাশাপাশি ভাঙন ঠেকাতে দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।