মৌলভীবাজারের রাজকান্দি সংরক্ষিত বনে ছয় শতাধিক মাল্টা ও কমলা গাছ কেটে ফেলেছে বন বিভাগ। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে নানা প্রশ্ন উঠেছে, বিশেষ করে একটি পরিবারের বিরুদ্ধে চলমান উচ্ছেদ অভিযানের প্রেক্ষাপটে।
রাজকান্দি সংরক্ষিত বনাঞ্চলের আয়তন ২০ হাজার ২৭০ একর হলেও, নজরদারির অভাবে সেখানে শতাধিক পরিবার বসবাস করছে। বন বিভাগের দাবি, তারা পর্যায়ক্রমে বনের জমি দখলমুক্ত করবে। তবে স্থানীয়রা বলছেন, এই উচ্ছেদ অভিযানের পেছনে ক্ষোভের কারণ রয়েছে।
সম্প্রতি আদমপুর বিটে গাছ কাটার পর ভুক্তভোগীরা অভিযোগ করেন, কোনো নোটিশ ছাড়াই গাছ কাটা হয়েছে, যা তাদের জন্য বড় ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
পরিবেশকর্মী এমএ ওয়াহিদ রুলু বলেন, ‘বনের অবৈধ দখলদার উচ্ছেদ প্রশংসনীয়। কিন্তু অন্যদের রেখে একটি পরিবারকে উচ্ছেদের বিষয়টি সন্দেহজনক।’ তিনি আরও জানান, বন বিভাগের কার্যক্রমে স্বচ্ছতা প্রয়োজন।
বিভাগীয় বন কর্মকর্তা আব্দুর রহমান জানিয়েছেন, ‘পর্যায়ক্রমে বনের সকল দখলদারদের উচ্ছেদে অভিযান চালানো হবে।’ তবে ১৬ জুলাই গাছ কাটার পর থেকে অন্য দখলদারদের বিরুদ্ধে কোনো কার্যক্রম নেওয়া হয়নি।
সিলেট বিভাগীয় কমিশনার এই ঘটনার তদন্তের জন্য একটি কমিটি গঠন করেছেন। বন বিভাগের কার্যক্রম এবং উচ্ছেদ অভিযানের স্বচ্ছতা নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ রয়েছে।