শেরপুরে টানা বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলের কারণে নদ-নদীর পানি আবারও বৃদ্ধি পেয়েছে। চেল্লাখালি ও মহারশি নদীর পানি বিপদসীমার উপরে প্রবাহিত হচ্ছে।
পানি উন্নয়ন বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, মহারশি, ভোগাই, সোমেশ্বরী, চেল্লাখালি, ব্রক্ষপুত্র ও মৃগী নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। চেল্লাখালি নদীর পানি বিপদসীমার ৩২৪ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
এছাড়া, মহারশি নদীর পানি ২১.২৮ সেন্টিমিটার, সোমেশ্বরী নদীর পানি ২৩.৩৩ সেন্টিমিটার এবং ভোগাই নদীর পানি ২১.১৬ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
পানির বৃদ্ধির কারণে নালিতাবাড়ী ও ঝিনাইগাতীর তিনটি ইউনিয়নের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। প্লাবিত ইউনিয়নগুলো হলো নালিতাবাড়ীর যোগানিয়া ও কলসপাড় এবং ঝিনাইগাতীর মালিঝিকান্দা।
ঝিনাইগাতী উপজেলা সদরে পানি ঢুকে পড়েছে। ভোগাই নদীর ভাঙ্গা বাঁধের কারণে পানি প্রবেশ করেছে এবং চেল্লাখালি নদীর পানির কারণে এসব ইউনিয়নের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে।
পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী সুদীপ্ত চৌধুরী জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় টানা বৃষ্টির ফলে জেলার নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়েছে।