সোমবার, ৩১ আগস্ট, ২০২৬
ব্রেকিং
জাতীয়

ভারী বৃষ্টিতে দীঘিনালার নিচু এলাকা আবারও প্লাবিত

ভারী বৃষ্টির কারণে দীঘিনালার নিচু এলাকা আবারও প্লাবিত, কৃষকরা দুর্ভোগে পড়েছেন।

ভারী বৃষ্টিতে দীঘিনালার নিচু এলাকা আবারও প্লাবিত

সপ্তাহের ব্যবধানে আবারও ভারী বৃষ্টির কারণে খাগড়াছড়ির দীঘিনালার নিচু এলাকা প্লাবিত হয়েছে। মেরুং, কবাখালী ও বোয়ালখালীর ফসলি জমি পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় স্থানীয় কৃষকরা চরম দুর্ভোগে পড়েছেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার রাত থেকে মাইনী নদীসহ পাহাড়ি ছড়া এবং খালের পানি বাড়তে শুরু করে, যার ফলে দীঘিনালার বিভিন্ন নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়। এদিকে, লংগদু-দীঘিনালা সড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে।

আগের সপ্তাহে ২২ আগস্টের বৃষ্টির পর পানি নামার পর কৃষকরা নতুন করে চারা রোপণ করেছিলেন, কিন্তু ফের বৃষ্টির কারণে আমনের ক্ষেত ও গ্রীষ্মকালীন সবজির মাঠ ডুবে গেছে। স্থানীয় এক কৃষক বলেন, 'পানি বাড়ার কারণে এখন সবকিছু ডুবে গেছে। এ কারণে কৃষকদের খুব অসুবিধা হচ্ছে।'

অন্য এক কৃষক জানান, 'অধিকাংশ জমি পানিতে তলিয়ে গেছে। কিন্তু আমরা সরকারিভাবে কোনো সহযোগিতা পাইনি।' তীব্র পানির তোড়ে দীঘিনালা-মেরুং সড়কের বিভিন্ন অংশ ডুবে গেছে, ফলে সারাদেশের সঙ্গে সড়ক যোগাযোগ বন্ধ হয়ে গেছে।

বাড়িতে পানি ওঠায় অনেকেই আশ্রয় কেন্দ্রে আশ্রয় নিয়েছেন। উপজেলা প্রশাসন তাদের জন্য খাদ্যসহ অন্যান্য সহায়তার উদ্যোগ গ্রহণের কথা জানিয়েছে।

দীঘিনালা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তানজিল পারভেজ বলেন, 'কবাখালী এবং মেরুং ইউনিয়নে অপেক্ষাকৃত বেশি মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। প্রাথমিকভাবে যে আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে, সেখানে কয়েকটি পরিবার আশ্রয় নিয়েছে। আমরা তাদের জন্য শুকনো খাবার ও রান্নাকরা খাবার বিতরণের প্রস্তুতি নিচ্ছি।'

পূর্ববর্তী সপ্তাহে বন্যায় খাগড়াছড়িতে ২৭৮ হেক্টর জমির ফসল নষ্ট হয় এবং শতাধিক মাটির ঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

বিজ্ঞাপন