প্রবাসীদের বিভিন্ন সমস্যার সমাধানে সরকার প্রবাসী কার্ড চালুর উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। এই কার্ডের মাধ্যমে প্রবাসীরা ইমিগ্রেশন ও সরকারি হাসপাতালে বিশেষ সেবাসহ ১০ ধরনের সুবিধা পাবেন।
সরকারি তথ্য অনুযায়ী, প্রবাসী কার্ডের মাধ্যমে প্রবাসীরা কমপ্লিমেন্টারি এয়ারপোর্ট লাউঞ্জ ব্যবহার, বিশেষ ইমিগ্রেশন বুথের মাধ্যমে দ্রুত সেবা, আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে কমপ্লিমেন্টারি মিট এন্ড গ্রিট সেবা, টিকেট ও হোটেল বুকিংয়ে ডিসকাউন্ট, গাড়ি বুকিং ও সিগনেচার কার্ডে এয়ারপোর্ট পিক এন্ড ড্রপ সেবা পাবেন।
এছাড়া, সরকারি হাসপাতালে প্রবাসী সেবা বুথ, বেসরকারিতে ডিসকাউন্ট সুবিধা, কার্ডধারীর মৃত্যুতে বিনা খরচে মরদেহ পরিবহন, প্রবাস ফেরতদের পুনর্বাসনের সুযোগ ও বীমা সুবিধা, জমি রেজিস্ট্রেশন, নামজারি, ইউটিলিটি, লাইসেন্স ও বৈদেশিক বিনিয়োগে অগ্রাধিকার দেওয়ার সুবিধাও থাকবে।
প্রথম পর্যায়ে জনতা ব্যাংকের মাধ্যমে প্রবাসী কার্ড ইস্যু করা হবে। জনতা ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মজিবর রহমান জানান, এই কার্ড দিয়ে মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসে অর্থ লেনদেন করা যাবে। আসছে আগস্ট মাসে ৫০ হাজার নারী কর্মী দিয়ে এই সেবা চালু হবে।
বিশ্লেষকরা বলছেন, প্রবাসী কার্ডের সাফল্য মাঠ পর্যায়ে বাস্তবায়নের ওপর নির্ভর করবে। প্রবাসীদের রেমিট্যান্স পাঠানো ও সরকারি সেবা দ্রুত পাওয়া নিশ্চিত করতে হবে। প্রাথমিকভাবে বিএমইটি কার্ডধারীদের নতুন নিবন্ধনের মাধ্যমে প্রবাসী কার্ড দেওয়া হবে।