সরকারের দাবি, দেশে সারের সংকট নেই এবং পর্যাপ্ত পরিমাণে সার আমদানির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। তবে কৃষকরা বলছেন, তাদের প্রয়োজনের তুলনায় সার পাওয়া যাচ্ছে না এবং দামও অত্যধিক।
কৃষকদের অভিযোগ, ডিলাররা কৃত্রিম সংকট তৈরি করছে। একজন কৃষক ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “বলা হচ্ছে প্রচুর সার আছে, অথচ আমরা দেখছি সার নেই। আমাদের বলা হচ্ছে–এখানে যাও, ওখানে যাও।”
অন্য একজন কৃষক অভিযোগ করেন, “সরকার সবসময় দাবি করে যে পর্যাপ্ত সার আছে, কিন্তু আমাদের কাছে তা পৌঁছাচ্ছে না।” সারের চাহিদা বাড়ছে, বিশেষ করে আমন ধান ও রোপা মৌসুমের আগে।
কৃষকরা মনে করছেন, ডিলারদের একটি সিন্ডিকেট তাদের বিড়ম্বনায় ফেলছে। একজন কৃষক বলেন, “ডিলাররা আমাদের কাছ থেকে সারের দামটা বেশি করে নেয়।”
ডিলারদের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, তারা বাড়তি দামে সার বিক্রি করছেন না। তবে একজন ডিলার জানান, “কৃষকদের যদি সমস্যা হয়, তাহলে হয়তো পরিমাণের চাইতে কম দিই।”
বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, সারের ডিলার নিয়োগে নতুন নীতিমালা বিতরণ ব্যবস্থাকে জটিল করে তুলেছে। সাবেক কৃষি সচিব আনোয়ার ফারুক বলেন, “আগামী রবি মৌসুমে চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে না পারলে বিপদ হবে।”
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. আব্দুর রহিম জানান, অক্টোবর থেকে ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সারের চাহিদা ৪০ লাখ টন, সরবরাহ হবে ৫৩ লাখ টন। তিনি বলেন, “কৃত্রিম সংকট তৈরির পায়তারা হচ্ছে।”
কৃষি মন্ত্রণালয়ের তথ্যমতে, ইউরিয়া, টিএসপি, ডিইপি ও অ্যামোনিয়া সারের চাহিদা ৫৮ লাখ ২০ হাজার টন।