রাজধানীর মতিঝিলে শক্তিশালী বোমা উদ্ধারের ঘটনায় পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে। শনিবার পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি। ঘটনার রাতেই মতিঝিল থানার উপ–পরিদর্শক মির্জা মোহাম্মদ মুক্তা অজ্ঞাত আসামিদের বিরুদ্ধে মামলা করেন।
শুক্রবার বিকেল সাড়ে ৫টায় ঢাকেশ্বরী মন্দির থেকে পুরান ঢাকার স্বামীবাগে যাওয়ার পথে হিন্দু সম্প্রদায়ের উল্টো রথযাত্রার সময় এই ঘটনা ঘটে। এক যাত্রী মেট্রোরেল স্টেশনের নিচে একটি খয়েরি ছাতা দেখে সন্দেহ করেন এবং পুলিশকে জানান।
পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে শনাক্ত করে যে, ছাতার ভেতরে একটি শক্তিশালী বোমা রয়েছে। এটি খুললেই বিস্ফোরণ ঘটতে পারতো। দ্রুত আশপাশের লোকজনকে সরিয়ে নেওয়া হয় এবং পরে ডিএমপির বম্ব ডিসপোজাল ইউনিট বোমাটি নিষ্ক্রিয় করে।
মেট্রোরেল স্টেশনের মতো গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় বোমা উদ্ধারের পর স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, এটি ছিল একটি ইম্পোভাইজড এক্সপ্লোসিভ ডিভাইস। রথযাত্রায় বিস্ফোরিত হলে হতাহতের সংখ্যা অনেক বেশি হতে পারতো।
ঢাকা মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত উপকমিশনার নিয়াজ মেহেদী বলেন, "এই জিনিসটা কেন, কারা, কী উদ্দেশ্যে রেখেছে–সেটা স্থানীয় পুলিশ ও পুলিশের বিশেষায়িত টিম তদন্ত করছে।" তিনি আরও জানান, সিসিটিভির ফুটেজ বিশ্লেষণ করে জড়িতদের শনাক্ত করার প্রক্রিয়া চলছে।
নিরাপত্তা ব্যবস্থা বাড়ানো হয়েছে মতিঝিলের মেট্রোরেল স্টেশনে। তল্লাশির পাশাপাশি অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়েছে।