আগামী বছর থেকে আবারো ভর্তি পরীক্ষা চালুর ঘোষণায় পুরোনো ভর্তি কোচিং প্রবণতা চাঙা হয়ে উঠেছে। নতুন শিক্ষাবর্ষ শুরুর পাঁচ মাস বাকি থাকলেও, অভিভাবকরা সন্তানদের ভর্তিযুদ্ধে প্রস্তুত করতে কোচিং সেন্টারে ভিড় করছেন।
রাজধানীর বিভিন্ন কোচিং সেন্টারে প্রথম শ্রেণির জন্য শিশু প্রতি মাসিক ফি ১ হাজার ৫০০ থেকে ৩ হাজার টাকা পর্যন্ত ধার্য করা হয়েছে। এছাড়া, ভর্তি পরীক্ষার জন্য এককালীন ২ থেকে ৪ হাজার টাকা ফি নেওয়া হচ্ছে।
শিক্ষাবিদদের মতে, ভর্তি পরীক্ষাকে ঘিরে কোচিং বাণিজ্য থামাতে সরকারকে উদ্যোগ নিতে হবে। যদিও অনেক কোচিং সেন্টার ভর্তি পরীক্ষার বিষয়টি স্বীকার করতে চায় না, তবুও অভিভাবকরা গোপন পরিচয়ে তাদের কাছে যাচ্ছেন।
মিরপুরের নিউ মেধাসিড়ি নামের একটি কোচিংয়ে ভর্তি ফি ৪ হাজার টাকা এবং মাসিক বেতন ১ হাজার ৭০০ টাকা। মনিপুরের অদম্য শিক্ষালয় নামের একটি কোচিংয়ে প্রথম শ্রেণির জন্য মাসিক ফি আড়াই হাজার টাকা ধার্য করা হয়েছে।
কাছাকাছি উদয়ন ইসলামিক নামের আরেকটি কোচিং সেন্টার ২ হাজার টাকা নিচ্ছে, যেখানে আলাদা ভর্তি ফিও রয়েছে। অনলাইনেও এ ব্যবসা রমরমা। কিছু অভিভাবক জানাচ্ছেন, প্রথম শ্রেণিতে ভর্তি কোচিংয়ের প্যাকেজ ২৫ হাজার টাকারও বেশি চাওয়া হচ্ছে।
এদিকে, প্রথম ও ষষ্ঠ শ্রেণিতে ভর্তিচ্ছুদের সংখ্যা বেশি। শিক্ষাবিদ ড. মো. নূরে আলম সিদ্দিকী বলেন, ‘ভর্তি পরীক্ষাকে ঘিরে কোচিং বাণিজ্য থামাতে হবে সরকারকেই।’ স্কুলে ভর্তি পরীক্ষার প্রদ্ধতি নিয়ে সংশ্লিষ্টরা এখনো নিশ্চিত নয়, এবং এ বিষয়ে পরিকল্পনা চলছে।