ভারতের শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে চলমান আন্দোলনের মধ্যে ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) সঙ্গে বৈঠক করেছে মোদি সরকার। সরকারের পক্ষ থেকে সিদ্ধান্ত জানাতে আজ বিকেল পর্যন্ত সময় চাওয়া হয়েছে।
দিল্লির কনস্টিটিউশন ক্লাবে সরকারের প্রতিনিধিদের সঙ্গে দ্বিতীয় দফা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সিজেপি আন্দোলনকারীদের ৩টি মূল দাবি ও পরীক্ষা সংস্কার নিয়ে আলোচনা করে। সিজেপি নেতারা স্পষ্ট করে জানান, শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ ছাড়া অন্য কোনো প্রস্তাব তারা গ্রহণ করবেন না।
বৈঠকে অংশগ্রহণ করেন মোদি সরকারের দুই মন্ত্রী জেপি নাড্ডা ও জিতেন্দ্র সিং। আন্দোলনকারীদের প্রতিনিধিত্ব করেন সিজেপির মুখপাত্র অশুতোষ রাঙ্কা ও সৌরভ দাস। অশুতোষ রাঙ্কা বলেন, ‘আমরা জানিয়েছি, পুরো দেশে এই আন্দোলন ছড়িয়ে পড়ছে এবং ধর্মেন্দ্র প্রধান পদত্যাগ না করলে এটি আরও বড় হবে।’
সিজেপি জানিয়েছে, আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে মামলা প্রত্যাহার এবং ক্ষতিগ্রস্ত নিট পরীক্ষার্থীদের পরিবারকে ক্ষতিপূরণের বিষয়ে নীতিগত সম্মতি দিয়েছে সরকার। স্বাস্থ্যমন্ত্রী জেপি নাড্ডা বলেন, ‘তাদের ৩টি প্রধান দাবি এবং পরীক্ষাব্যবস্থা নিয়ে পাঁচটি সংস্কার প্রস্তাব ছিল। শনিবার বিকেলে আবার বৈঠক হবে।’
বিরোধী দল কংগ্রেস প্রশ্নপত্র ফাঁস ইস্যুতে চাপ বাড়াচ্ছে। তারা নতুন করে বিক্ষোভের পাশাপাশি দেশজুড়ে মোমবাতি মিছিল ও সত্যাগ্রহ কর্মসূচি পালন করবে। এছাড়া, সোমবার ককরোচ জনতা পার্টির বিক্ষোভে যোগ দেবেন পশ্চিমবঙ্গের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
এদিকে, পাবলিক পরীক্ষা আইনের সংশোধনী অনুমোদন করেছে মন্ত্রিসভা। এতে প্রশ্ন ফাঁসে জড়িতদের সর্বোচ্চ ১০ বছর কারাদণ্ড ও ১০ কোটি রুপি পর্যন্ত জরিমানার বিধান রাখা হয়েছে। বিলটি পার্লামেন্টে উঠতে পারে সোমবার।