সোমবার, ২৭ জুলাই, ২০২৬
ব্রেকিং
রাজনীতি

ককরোচ জনতা পার্টির প্রথম আন্দোলনে শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ

ককরোচ জনতা পার্টির আন্দোলনের ফলে শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান পদত্যাগ করেছেন।

ককরোচ জনতা পার্টির প্রথম আন্দোলনে শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ

জন্ম নেওয়ার ৭১ দিনের মধ্যে প্রথম আন্দোলন সফল করেছে ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)। তাদের আন্দোলনের ফলস্বরূপ ভারতের কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান পদত্যাগ করেছেন।

ককরোচ জনতা পার্টির জন্ম ১৬ মে, ২০২৬। তার আগের দিন দেশের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের একটি মন্তব্য ঘিরে বিতর্ক সৃষ্টি হয়। তিনি একটি মামলার প্রেক্ষিতে সমাজকর্মী ও বেকারদের ‘আরশোলা’ এবং ‘সমাজের পরজীবী’ হিসেবে সমালোচনা করেন। এর পর থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ‘আরশোলা’দের উপস্থিতি বাড়তে শুরু করে।

প্রথমে ব্যঙ্গাত্মক পোস্টের মাধ্যমে শুরু হলেও, প্রধান বিচারপতির মন্তব্যের অপব্যাখ্যা নিয়ে ‘আরশোলা’রা রাস্তায় নেমে পড়েন। ডাক্তারি প্রবেশিকা পরীক্ষার প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় শিক্ষার্থীদের সমর্থন জানিয়ে আন্দোলনের ডাক দেন তারা। ৩৬ দিনের আন্দোলনের পর রাজধানীতে তাদের প্রথম সাফল্য আসে।

ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপ, যিনি সাংবাদিকতার ছাত্র এবং রাজনৈতিক যোগাযোগের কৌশলবিদ, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অ্যাকাউন্ট খুলে প্রথমে সরকারি দল ও সামাজিক বিষয় নিয়ে ব্যঙ্গাত্মক পোস্ট করতে শুরু করেন। ফলোয়ার বাড়তে থাকে দ্রুত।

তবে, ২১ জুন সরকারের পক্ষ থেকে ২০০০ সালের তথ্যপ্রযুক্তি আইনের ধারা ৬৯(এ)-এর অধীনে সিজেপির অ্যাকাউন্টটি নিষিদ্ধ করা হয়। অভিযোগ ছিল, তাদের পোস্টগুলো ‘উসকানিমূলক’ এবং তরুণদের ‘ভুল’ বার্তা দিচ্ছে। এই নিষেধাজ্ঞার বিরুদ্ধে অভিজিৎ দিল্লি হাই কোর্টে আবেদন করেন।

সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা আদালতকে জানান, ককরোচ জনতা পার্টির অ্যাকাউন্ট ব্লক করা হয়েছে কারণ তারা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে পারে। আদালত সরকারের উদ্বেগকে বৈধতা দেয়নি এবং ৭ জুলাই অ্যাকাউন্টটি ‘আনব্লক’ করার আদেশ দেয়।

অভিজিৎ এর আগে আম আদমি পার্টির (আপ) সঙ্গে কাজ করেছেন। বর্তমানে তিনি মার্কিন প্রবাসী এবং বোস্টন বিশ্ববিদ্যালয়ে স্নাতকোত্তর স্তরে পড়াশোনা করছেন। নিট-কাণ্ডের প্রতিবাদ করতে গত ৬ জুন দেশে ফেরেন তিনি।

বিজ্ঞাপন