মো. সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগের পর ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব নিয়েছেন জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ। তিনি পরবর্তী রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত এই দায়িত্ব পালন করবেন। এর ফলে রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন রাষ্ট্রপতি কে হচ্ছেন, তা নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে।
বিএনপি দলীয় নেতৃত্ব নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের জন্য আলোচনা করছে। দলটির শীর্ষ নেতারা জানান, রাষ্ট্রপতি নির্বাচন করার ক্ষেত্রে একজন গ্রহণযোগ্য, নৈতিকতা-সম্পন্ন এবং বিশ্বস্ত ব্যক্তিত্বকে বেছে নেওয়া উচিত। বর্তমান সংবিধান অনুযায়ী, নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন হবে ৩৫০ জন সংসদ সদস্যের ভোটে।
বিএনপির পক্ষ থেকে রাষ্ট্রপতি পদে কয়েকজন জ্যেষ্ঠ নেতার নাম আলোচনায় রয়েছে, যেমন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ড. মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান ও গয়েশ্বর চন্দ্র রায়। এছাড়া, স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ এবং সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আলতাফ হোসেন চৌধুরীর নামও সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় এসেছে।
দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান বলেন, রাষ্ট্রপতি নির্বাচন হবে সংবিধান অনুযায়ী। বিএনপি যাকে মনোনয়ন দেবে, তিনিই নির্বাচিত হবেন। মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল বলেন, রাষ্ট্রপতি এমন একজন হওয়া উচিত, যিনি দলের প্রতি বিশ্বস্ত এবং শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার আদর্শের অনুসারী।
ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, রাষ্ট্রপতি পদে মনোনয়ন নিয়ে আলোচনা দলই করবে এবং নির্বাচন কমিশনের নির্ধারিত আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করে জাতীয় সংসদে ভোটের মাধ্যমে বিষয়টি নিষ্পত্তি হবে। তবে ভূরাজনৈতিক বাস্তবতায় রাজনৈতিক বলয়ের বাইরে থাকা কোনো অরাজনৈতিক ব্যক্তির রাষ্ট্রপতি হওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে।
পরবর্তী রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে বিএনপির চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসবে তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন স্থায়ী কমিটির সভা থেকে।