গুলিস্তানের ফুলবাড়িয়া ছাড়া ঢাকার অন্যান্য বাস টার্মিনাল আপাতত সরানোর পরিকল্পনা নেই। সায়দাবাদ, গাবতলী ও মহাখালী টার্মিনাল থেকে বাস ডিপো আলাদা করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
পূর্বাচল, নারায়ণগঞ্জ ও কেরাণীগঞ্জে প্রাথমিকভাবে নতুন ডিপোর স্থান নির্ধারণ করা হয়েছে। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, পুরো টার্মিনাল সরিয়ে নেওয়া হলে ঢাকায় যানজট আরও বাড়বে।
মহাখালী টার্মিনাল মূলত একটি বাস ডিপো হিসেবে কাজ করছে, যেখানে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে আসা বাসগুলো বিরতি নেয়। বাসের রক্ষণাবেক্ষণ, মেরামত এবং রং করার কাজও এখানে হয়ে থাকে।
বাসের রক্ষণাবেক্ষণের কারণে টার্মিনালগুলোতে তিল ধারণের জায়গা থাকে না এবং যাত্রী ওঠানামা ব্যস্ত সড়কে চলে যায়। বাস মালিকেরা এখানে ইঞ্জিন পরিবর্তনের কাজও করেন, ফলে টার্মিনালগুলো বাতিল যন্ত্রপাতির ভাগাড়ে পরিণত হচ্ছে।
বিশ্লেষকরা বলছেন, গাবতলী, সায়দাবাদ ও মহাখালী টার্মিনাল এখন ডিপো হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে, যেখানে শ্রমিকরা থাকেন, খাবার খান এবং ঘুমান। তারা সরকারের মন্ত্রণালয়গুলোর মধ্যে সমন্বয়ের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেছেন।
পরিবহন বিশেষজ্ঞ মো. হাদিউজ্জামান বলেন, "টার্মিনাল মানে হলো যাত্রী নিয়ে চলে যাওয়ার জায়গা, কিন্তু এখন এগুলো ডিপো হয়ে গেছে।" তিনি আরও বলেন, নতুন জায়গায় ডিপো সরানো গেলে টার্মিনালগুলো কার্যকরভাবে কাজ করতে পারবে।
ঢাকা মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার সট আনিসুর রহমান জানান, "দিনের পর দিন এটি মেনে নেওয়া যায় না।" তিনি মহাখালী টার্মিনাল পূর্বাচলে এবং ফুলবাড়িয়ার জন্য নতুন জায়গা খোঁজার কথা উল্লেখ করেন।