এক বছর আগে মাইলস্টোন স্কুলের ভবনে বিমান বাহিনীর প্রশিক্ষণ বিমান বিধ্বস্ত হয়ে ৩৬ জনের প্রাণহানি ঘটে। তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনে জানা যায়, ভবনটির নির্মাণে কিছু ত্রুটি ছিল এবং পাইলটের উড্ডয়ন ত্রুটি ও তদারকি কর্মকর্তার গাফিলতির কারণে এই ভয়াবহ দুর্ঘটনা ঘটে।
অভিযোগ রয়েছে, ভবনটি স্কুলের জন্য উপযোগী ছিল না এবং রাজউকের নির্দেশনা থাকা সত্ত্বেও তা ভাঙা হয়নি। তদন্ত কমিটির সদস্য আদিল মুহাম্মদ খান বলেন, "বিকল্প সিঁড়ি না থাকায়, জরুরি অবস্থায় শিক্ষার্থীরা বের হতে পারেনি।"
দুর্ঘটনার পর থেকে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা সেই স্মৃতি ভুলতে পারেননি। গত ২০ জানুয়ারি, বিমান দুর্ঘটনায় আহত সর্বশেষ শিক্ষার্থী আব্দুর রহিম বার্ন ইনস্টিটিউট থেকে ছাড়পত্র পান।
মাইলস্টোন স্কুলের উপদেষ্টা কর্নেল নুরুন নবী (অব) জানান, রাজউক ভবনটি ভাঙার নির্দেশনা দিয়েছে এবং তাঁদের পরিকল্পনা আছে স্মৃতি রক্ষার জন্য সরকারের সাথে আলোচনা করার।
দুর্ঘটনার স্থানটি এখন শুধুই দুর্বিষহ স্মৃতি। সেখানে পড়ে আছে বই-খাতা, টিফিনবক্সসহ নানা জিনিস। তৃতীয় শ্রেণির এক শিক্ষার্থীর খাতার পাতায় শিশুদের নিরাপত্তার অধিকার নিয়ে লিখা দেখা যায়, যা রাষ্ট্রের নিরাপত্তা প্রদানের ব্যর্থতাকে নির্দেশ করে।