গত ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতায় আসা বিএনপি সরকারের স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমের সম্পদ বৃদ্ধি নিয়ে বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। দায়িত্ব নেওয়ার পর তিন মাসে বগুড়ার শিবগঞ্জে বিভিন্ন প্রকল্পের বরাদ্দ এবং ২৪২ শতক জমি ক্রয়ের অভিযোগ উঠেছে।
স্থানীয়রা জানান, প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমের নামে কেনা জমির বাজার মূল্য শতক প্রতি আড়াই লাখ টাকা। জমিটি ৬ কোটি টাকায় স্থানীয় মঞ্জুর রায়হান রোজের কাছ থেকে কেনা হয়েছে। জমির মালিকের মৃত্যুর পর তার ছেলের দখলে থাকা জমিটি হঠাৎ করেই বিক্রি হয়ে যায়।
এছাড়া, বগুড়ার শিবগঞ্জে নির্মিত একটি হেলিপ্যাডের খরচ ১ কোটি ৯০ লাখ টাকা। স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রতিমন্ত্রীর হেলিকপ্টার অবতরণের সুবিধার্থে এই রাস্তা নির্মাণ করা হচ্ছে।
মহাস্থানে হজরত শাহ সুলতান বলখী রহমতুল্লাহ আলাইহির মাজারে নারী মুসল্লিদের বিশ্রামের জন্য শেড নির্মাণের জন্য ৭৪ লাখ টাকার বরাদ্দ করানো হয়। তবে প্রত্নতত্ত্বের আপত্তির কারণে এই কাজটি বন্ধ হয়ে গেছে।
স্থানীয়দের দাবি, এলাকায় উন্নয়নের জন্য বরাদ্দ সঠিকভাবে ব্যবহার করলে অনেক পরিবর্তন আসবে। তারা জানান, ১৭ বছর ধরে এই এলাকা উন্নয়ন বঞ্চিত ছিল।
শিবগঞ্জ উপজেলা প্রকৌশলী সিহাদুল ইসলাম জানান, প্রতিমন্ত্রীর ছেলের নামে লাইসেন্স হওয়া ঠিকাদারির কাজ স্থানীয়দের হাতে আসছে। তবে এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী মাসুদুজ্জামান দাবি করেন, উন্নয়ন কাজ বণ্টনে প্রতিমন্ত্রীর কোনো প্রভাব নেই।
স্থানীয়রা অভিযোগ করেছেন, প্রতিমন্ত্রী নিজ বংশ ও ছেলেদের নামে তিনটি নতুন ইউনিয়নের নামকরণ করেছেন। তবে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে গণশুনানির মাধ্যমে এলাকাবাসী নিজেদের ইউনিয়নের নাম ঠিক করছে।