বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬
ব্রেকিং
ইন্দোনেশিয়ায় ভূমিকম্পে নিহত বেড়ে ৬৮, উদ্ধার অভিযান চলছে পশ্চিমবঙ্গের বীরভূমে হোটেলে আগুন, নিহত ৭ পশ্চিমবঙ্গের হোটেলে অগ্নিকাণ্ডে ৭ জনের মৃত্যু ডিআর কঙ্গোতে ইবোলা প্রাদুর্ভাব, ইতিহাসের সবচেয়ে প্রাণঘাতী জিম্বাবুয়েতে নৌকাডুবিতে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৭২ হাওয়াইয়ের দিকে এগোচ্ছে হারিকেন ‘লালা’, জরুরি অবস্থা ঘোষণা ইন্দোনেশিয়ায় ৭.৭ মাত্রার ভূমিকম্পে নিহত ৫১, আহত শতাধিক ইন্দোনেশিয়ায় ৭.৭ মাত্রার ভূমিকম্পে ৫১ জনের মৃত্যু, হাজারো মানুষ বাস্তুচ্যুত ইন্দোনেশিয়ায় ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৪৭, ১৫০ ভবন ধসে পড়েছে চট্টগ্রামে গ্যাস লিকেজে ৯ শ্রমিকের মৃত্যু, ফেরদৌস স্টিলের কার্যক্রম স্থগিত
আন্তর্জাতিক

ইন্দোনেশিয়ায় ভূমিকম্পে নিহত বেড়ে ৬৮, উদ্ধার অভিযান চলছে

ইন্দোনেশিয়ায় ৭.৭ মাত্রার ভূমিকম্পে নিহত ৬৮, আহত দুই শতাধিক। উদ্ধার অভিযান চলছে।

ইন্দোনেশিয়ায় ভূমিকম্পে নিহত বেড়ে ৬৮, উদ্ধার অভিযান চলছে

ইন্দোনেশিয়ার পূর্বাঞ্চলে ৭ দশমিক ৭ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্পে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৬৮ জনে দাঁড়িয়েছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন দুই শতাধিক মানুষ। উদ্ধারকর্মীরা ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে থাকা মানুষদের উদ্ধারে অভিযান চালাচ্ছেন।

শনিবারের ভূমিকম্পের পর প্রায় ১৬শ আফটারশক অনুভূত হয়েছে। দুর্গত এলাকায় ত্রাণ ও চিকিৎসা সংকট দেখা দিয়েছে, হাজারো মানুষ অসহায় অবস্থায় রয়েছে। রয়টার্সের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

ভূমিকম্পের প্রভাবে রাস্তাজুড়ে বিশাল ফাটল সৃষ্টি হয়েছে এবং ঘরবাড়ি ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। কিছু এলাকায় উদ্ধার অভিযান চলছে এবং আতঙ্কিত মানুষ আশ্রয় নিয়েছে। নতুন করে ভূমিকম্পের শঙ্কায় কাটছে তাদের দিন-রাত।

ভূমিকম্পের পর ১৩ হাজারের বেশি মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরানো হয়েছে, তবে অনেকেই আবারও ঘরে ফেরার সাহস পাচ্ছেন না। তাঁবু, স্কুল ও আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থান করছেন তারা।

দেশটির দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংস্থা জানিয়েছে, ভূমিকম্পে ১৩শর বেশি বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ফ্লোরেসে আড়াইশ ঘরবাড়ি পুরোপুরি ধ্বংস হয়েছে। স্বাস্থ্যকেন্দ্র, স্কুল ও সরকারি কার্যালয়ও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

দুর্গত এলাকায় ত্রাণ পৌঁছানোর চেষ্টা করছে সেনাবাহিনী ও পুলিশ। তবে ভূমিধস ও সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন থাকার কারণে ত্রাণ পৌঁছাতে বিলম্ব হচ্ছে। ইন্দোনেশিয়ান রেড ক্রস জানিয়েছে, বিচ্ছিন্ন এলাকায় যাওয়ার সুযোগ কিছুটা বাড়ায় উদ্ধার ও প্রাথমিক চিকিৎসা কার্যক্রম জোরদার হয়েছে।

ভূমিকম্পে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত রুটেং শহরের হাসপাতালগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় দুটি অস্থায়ী ফিল্ড হাসপাতাল চালু করা হয়েছে। তবে দুর্গতদের অভিযোগ, প্রয়োজনের তুলনায় সরকারি সহায়তা যথেষ্ট নয়। খাবার ও বিশুদ্ধ পানির তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে এবং অনেক দুর্গম গ্রামে এখনো সহায়তা পৌঁছায়নি।

এছাড়া, বিভিন্ন এলাকায় দ্রুত ফুরিয়ে আসছে ওষুধ ও চিকিৎসা সরঞ্জামের মজুত। দুর্গতদের জন্য পর্যাপ্ত নির্দেশনা না পাওয়ার অভিযোগও উঠেছে।

বিজ্ঞাপন