বর্ষা মৌসুমের শুরুতেই সিরাজগঞ্জে যমুনা নদী আগ্রাসী রূপ ধারণ করেছে। নদীর তীব্র ভাঙনে জেলা সদর ও চৌহালী উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। বাহুকা এলাকার নদীর একপাশে তীররক্ষা বাঁধের প্রায় ৩০ মিটার এলাকা বিলীন হয়ে গেছে, যা স্থানীয়দের জন্য গুরুতর উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
ঝুঁকিতে রয়েছে ঘর-বাড়ি এবং চরাঞ্চলের ফসলি জমি। গত কয়েকদিনের ভারী বর্ষণ ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের কারণে যমুনার পানি বৃদ্ধি পেয়েছে, যা প্রবল স্রোতের সৃষ্টি করেছে। এর ফলে নদী ভাঙনের তীব্রতা বেড়ে গেছে, বিশেষ করে সিরাজগঞ্জ সদরের বাহুকা ও চৌহালী উপজেলার চরাঞ্চলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে সদর উপজেলার বাহুকা এলাকায় নদীর তীররক্ষা বাঁধের প্রায় ৩০ মিটার এলাকা। এ ভাঙনের ফলে ইটালি, গজারিয়া ভেওয়ামাড়া এবং আশপাশের বেশ কয়েকটি গ্রামের ফসলি জমি ও ঘরবাড়ি হুমকির মুখে পড়েছে। চৌহালীর চর বিনায়ক এলাকায়ও নদী ভাঙনের প্রভাব স্পষ্ট।
ভাঙন ঠেকাতে পানি উন্নয়ন বোর্ড জিও ব্যাগ ফেলার কাজ শুরু করেছে। পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মোখলেছুর রহমান জানান, ‘ভাঙন কবলিত এলাকায় বালু ভর্তি জিও ব্যাগ ফেলার কাজ চলছে। ভাঙন যাতে আরও তীব্র না হয়, সে চেষ্টাই করছি।’
স্থানীয় বাসিন্দারা স্থায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানাচ্ছেন। নদীতীরবর্তী এলাকার মানুষের জন্য এই ভাঙন একটি বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে।