লাতিন আমেরিকার দেশ ভেনেজুয়েলায় ৩৯ সেকেন্ডের ব্যবধানে পরপর দুটি ৭ মাত্রার ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে, যার ফলে ৩২ জনের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত হয়েছে এবং আহত হয়েছে সাত শতাধিক মানুষ।
যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক জরিপ (ইউএসজিএস) জানিয়েছে, প্রথম ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৭.২ এবং দ্বিতীয়টির ছিল ৭.৫। দুটি ভূমিকম্পই ক্যারিবীয় ও দক্ষিণ আমেরিকার টেকটোনিক প্লেটের সংযোগস্থলে সংঘটিত হয়েছে।
বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দ্বিতীয় ভূমিকম্পটি অগভীর স্ট্রাইক-স্লিপ ফল্টিংয়ের কারণে ঘটেছে, যা ফল্ট বা প্লেটগুলোর মধ্যকার ফাটল অনুভূমিকভাবে সরে যাওয়ার ফলস্বরূপ। এই ধরনের সরে যাওয়া দ্রুত হলে ভূমিকম্পের সৃষ্টি হয়।
ইউএসজিএস আরও জানিয়েছে, বুধবারের ভূমিকম্প দুটি সম্ভবত একটি জটিল ভঙ্গুরতা-বিস্তার নির্দেশ করছে এবং বড় ধরনের আফটারশকের শঙ্কা এখনও রয়েছে। ভেনিজুয়েলায় প্রথম ভূমিকম্পের পর থেকে ২০টিরও বেশি আফটারশক অনুভূত হয়েছে।
দেশটির উত্তরাঞ্চলীয় উপকূল, বিশেষ করে লা গুয়াইরা, আরাগুয়া, কারাবোবো এবং ফ্যালকন এলাকাগুলো সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্র ভেনিজুয়েলায় অনুসন্ধান ও উদ্ধার দল এবং চিকিৎসা ও মানবিক সহায়তার সরঞ্জাম পাঠানোর ঘোষণা দিয়েছে। এল সালভাদরের প্রেসিডেন্ট নাইয়িব বুকেলে ৫০ টন সরঞ্জাম ও ৩০০ উদ্ধারকর্মী পাঠানোর প্রস্তুতির কথা জানিয়েছেন।
ইকুয়েডরের প্রেসিডেন্ট দানিয়েল নোবোয়া এবং ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট লুইজ ইনাসিও লুলা দা সিল্ভাও ভেনিজুয়েলায় সহায়তার প্রস্তাব দিয়েছেন। মেক্সিকোর পররাষ্ট্র সচিব রবার্তো ভেলাস্কো আলভারেজও সহায়তা দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন।