যমুনা নদীর তীর রক্ষায় প্রস্তাবিত প্রকল্পগুলোর অগ্রগতির অভাবে বগুড়ায় ভাঙনের ঝুঁকিতে রয়েছে নদীর দুই তীরের ৪১ কিলোমিটার এলাকা। পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তারা জানাচ্ছেন, নদী ভাঙন রোধে জরুরি মেরামত কাজ চলছে এবং প্রকল্পগুলোর বাস্তবায়নের লক্ষ্যে কাজ শুরু হয়েছে।
বগুড়ার সারিয়াকান্দি উপজেলার কামালপুরে যমুনা নদীর ডান তীরে মূল বাঁধের ২০০ থেকে ৩০০ মিটার দূরে ভাঙন শুরু হয়েছে। কামালপুর থেকে ধুনট উপজেলার বানিয়াজান পর্যন্ত ৬ কিলোমিটার এবং সোনাতলা উপজেলার পাকুল্লা থেকে হাসনাপাড়া পর্যন্ত ৩ কিলোমিটার এলাকা ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে।
পানি উন্নয়ন বোর্ডের তথ্যমতে, যমুনার দুই তীরে অন্তত ৪১ কিলোমিটার এলাকা ভাঙনের ঝুঁকিতে রয়েছে। নদীর তীর রক্ষায় এক দশক আগে দেড় হাজার কোটি টাকার প্রকল্প প্রস্তাব করা হলেও এখনও সিদ্ধান্ত আসেনি।
বগুড়া সার্কেলের পানি উন্নয়ন বোর্ডের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মো. আরিফুল ইসলাম জানান, প্রকল্প বাস্তবায়নে ব্যয় বাড়ছে আরও ৭০০ কোটি টাকা। দুই বছর আগে ৪৮ কোটি টাকার আরেকটি প্রকল্প প্রস্তাবও পড়ে আছে। তবে কিছু প্রকল্পের বাস্তবায়ন কাজ শুরু হয়েছে।
নদীর তীর সংরক্ষণে স্থায়ী ও কার্যকর উদ্যোগ না থাকায় স্থানীয় মানুষ বাড়ি-ঘর ও আবাদি জমি হারাচ্ছেন। পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তারা জানান, যমুনা নদীর ডান তীর প্রতি বছর গড়ে ৫০ মিটার করে ভাঙছে।