জাপানের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় কিউশু অঞ্চলে মঙ্গলবার আঘাত হানা শক্তিশালী ভূমিকম্পের পর ১০০টিরও বেশি আফটারশক অনুভূত হয়েছে। এই ভূমিকম্পে অন্তত ১৩ জন নিহত হয়েছে।
বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কুমামোতো প্রিফেকচারের একটি পেপার মিল ও একটি শপিং মলের ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে পড়া জীবিতদের সন্ধান চলছে। ভূমিকম্পের সময় ওই শপিং মলটিতে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে।
জাপান মেটিওরোলজিক্যাল এজেন্সি (জেএমএ) বাসিন্দাদের আফটারশকের বিষয়ে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছে। সংস্থাটির এক কর্মকর্তা বলেন, 'আগামী এক সপ্তাহের মতো, বিশেষ করে আগামী দুই থেকে তিন দিন সর্বোচ্চ ৭ মাত্রার তীব্রতার ভূমিকম্প হতে পারে বলে মানুষকে সতর্ক থাকার অনুরোধ করা হচ্ছে।'
স্থানীয় সময় মঙ্গলবার বিকেল ৪টা ২৭ মিনিটে কিউশু দ্বীপের কুমামোতোতে ভূমিকম্পটি আঘাত হানে, যার মাত্রা ছিল ৭.১। মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ (ইউএসজিএস) জানিয়েছে, ভূমিকম্পটির মাত্রা ছিল ৬.৮।
ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল ভূপৃষ্ঠ থেকে মাত্র ১০ কিলোমিটার গভীরে। স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের ভিডিওতে দেখা যায়, ভূমিকম্পের প্রভাবে রাস্তা ফেটে গেছে এবং সেতু ও বেশ কয়েকটি ভবনে আগুন জ্বলছে।
এ ঘটনার পর ট্রেন চলাচল স্থগিত করা হয়েছে এবং হাজার হাজার বাড়ির বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে।