রবিবার, ২১ জুন, ২০২৬
ব্রেকিং
অর্থনীতি

৭ বছরে ১১৪ টেক্সটাইল মিল বন্ধ, শিল্পের সুরক্ষায় দাবি

দেশে ১১৪টি টেক্সটাইল মিল বন্ধ, শিল্প সুরক্ষায় ৩০% মূল্য সংযোজনের দাবি বিটিএমএর।

৭ বছরে ১১৪ টেক্সটাইল মিল বন্ধ, শিল্পের সুরক্ষায় দাবি

গত ৭ বছরে দেশে ১১৪টি টেক্সটাইল মিল বন্ধ হয়ে গেছে, যা আমলাদের তৈরি ব্যবসা অনুপযোগী কর কাঠামো এবং বিদেশ থেকে সুতা আমদানি বেড়ে যাওয়ার ফলস্বরূপ। এই তথ্য শনিবার গুলশানে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে জানায় টেক্সটাইল মিলস এসোসিয়েশন-বিটিএমএ।

সংগঠনটি স্থানীয় শিল্পের সুরক্ষায় ব্যাংক গ্যারান্টির বিপরীতে কাঁচামাল আমদানিতে ৩০ শতাংশ মূল্য সংযোজনের শর্ত বহাল রাখার দাবি জানায়। বিটিএমএ জানায়, গত তিন বছরে দেশে সুতা আমদানি প্রায় দ্বিগুণ বেড়ে গেছে, বিশেষ করে ভারত থেকে সুতা আমদানির হার ১০৪ শতাংশ বেড়েছে।

বিটিএমএ এর সাবেক পরিচালক রাজীব হায়দার বলেন, ‘ভবিষ্যতে আন্তর্জাতিক বাজারে শুল্ক–সুবিধা ধরে রাখতে স্থানীয় মূল্য সংযোজনের হার ৪০ থেকে ৫০ শতাংশ বা তার বেশি রাখতে হবে।’ তিনি আরও জানান, দেশীয় সুতা ও কাপড়ের উৎপাদন ধরে রাখতে এবং বন্ডের অনিয়ম রুখতে এই শর্ত অপরিহার্য।

সংগঠনটি কর্পোরেট করহার ১২ শতাংশ নির্ধারণ এবং পলিয়েস্টার স্ট্যাপল ফাইবার আমদানিতে আরোপ করা ৫ শতাংশ শুল্ক প্রত্যাহার এবং নগদ সহায়তার ওপর উৎসে কর সম্পূর্ণ মওকুফের দাবি জানায়। বিটিএমএ এর সভাপতি শওকত আজিজ রাসেল বলেন, ‘সরকার অর্থনীতি চাঙা করতে ৬০ হাজার কোটি টাকা প্রণোদনা ঘোষণা করেছে, কিন্তু এর বিতরণের কোনো পরিকল্পনা নেই।’

তিনি বলেন, ‘পণ্যের চাহিদা নেই বা কম, এমন খাতে প্রণোদনা বা অর্থায়ন করে সুফল পাওয়া যাবে না; বরং এতে টাকার অপচয় হবে।’ বিটিএমএ নেতারা জানান, অনেক কারখানা ৬০ থেকে ৭০ শতাংশ সক্ষমতায় উৎপাদন করছে, ফলে প্রণোদনার অর্থ বিতরণের জন্য বস্ত্র খাত সবচেয়ে বড় দাবিদার।

বিজ্ঞাপন