১৭ বছর পর সরকারের গঠনের পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান রোববার প্রথম বিদেশ সফরে মালয়েশিয়া যাচ্ছেন। এই সফরটি প্রবাসীদের জন্য দেশের শ্রমবাজার ফের চালুর আশা জাগিয়েছে, যা দুই বছর ধরে স্থবির ছিল।
প্রবাসী কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী জানিয়েছেন, সরকার প্রধানের এই সফর অভিবাসনের দীর্ঘ সমস্যার সমাধান করতে সহায়ক হবে। অভিবাসন বিশেষজ্ঞরা মালয়েশিয়ার সঙ্গে একটি স্বচ্ছ ও সিন্ডিকেটমুক্ত ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠায় গুরুত্ব দিচ্ছেন।
শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের হাত ধরে মালয়েশিয়ায় কয়েকজন কর্মী পাঠানোর মাধ্যমে শ্রমবাজার খোলে, যা পরবর্তীতে লক্ষাধিক মানুষের জীবিকা ও রেমিট্যান্সের প্রধান উৎসে পরিণত হয়। বর্তমানে শ্রমবাজারে কর্মীর চাহিদা বাড়ছে, কিন্তু এর সঙ্গে সঙ্গে অতিরিক্ত অর্থ নেওয়া, ভুয়া চাকরির প্রতিশ্রুতি, চুক্তি লঙ্ঘন এবং মানব পাচারের মতো সমস্যা বেড়েছে।
প্রধানমন্ত্রীর মালয়েশিয়া সফর নিয়ে দেশে ও প্রবাসে ব্যাপক প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে। প্রবাসী কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী মো. নুরুল হক নুর বলেন, “আমাদের ব্যবসা-বাণিজ্যসহ অন্যান্য ক্ষেত্রে সরকারের প্রধানের সফর গুরুত্বপূর্ণ। বিদেশে কর্মসংস্থানের অংশটুকু প্রাধান্য দেওয়া হচ্ছে।”
অভিবাসন বিশেষজ্ঞ আসিফ মুনীর উল্লেখ করেন, “সিন্ডিকেটমুক্ত শ্রমবাজার প্রতিষ্ঠায় কুয়ালালামপুরের সঙ্গে ঢাকার সমন্বয় প্রয়োজন।” তিনি বলেন, “সেখানে তথ্য সংগ্রহের ব্যাপার রয়েছে এবং বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার প্রভাবশালী চক্রের মধ্যে যোগাযোগ থাকতে হবে।”
প্রধানমন্ত্রীর সফরের অন্যতম অর্জন হতে পারে দুই দেশের যৌথ দক্ষতা উন্নয়ন কর্মসূচি, যা বাংলাদেশের কর্মীদের মালয়েশিয়ার শিল্প খাতের নির্দিষ্ট চাহিদার জন্য প্রস্তুত করবে।