ফ্রান্সে তরুণদের nationwide বিক্ষোভ অব্যাহত রয়েছে, যেখানে তারা উন্নত শিক্ষা সুবিধা ও একটি প্রতিশ্রুতিশীল ভবিষ্যতের দাবি জানাচ্ছে। দেশটির অভ্যন্তরীণ মন্ত্রণালয়ের তথ্যমতে, শনিবার ৪১০,০০০ জন বিক্ষোভে অংশ নেয়, এর মধ্যে ১১০,০০০ জন প্যারিসে। সরকার শিক্ষার্থীদের দাবি মোকাবিলায় হিমশিম খাচ্ছে।
২০১৮ সাল থেকে ফ্রান্সে চলমান বিক্ষোভের অংশ হিসেবে, যেগুলো মূলত উচ্চ জীবনযাত্রার খরচ ও প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁর অর্থনৈতিক নীতির বিরুদ্ধে ছিল, শিক্ষার্থীরা তাদের দাবিগুলোর প্রতি সরকারের উদাসীনতার অভিযোগ করছে।
গত মাসে শুরু হওয়া যুব নেতৃত্বাধীন বিক্ষোভের কারণ হিসেবে স্কুলের অব্যবস্থাপনা, অর্থনৈতিক উদ্বেগ এবং সরকারি বাজেট কাটছাঁটের বিরুদ্ধে প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে। সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝি সময়ে উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা overcrowded classrooms ও শিক্ষকের অনুপস্থিতির কারণে বিক্ষোভ শুরু করে।
বিক্ষোভকারীরা “আমাদের ভবিষ্যৎ নির্মাণ করতে হবে, সহ্য করতে নয়” লেখা প্ল্যাকার্ড বহন করছে, যা সংকুচিত সরকারি সম্পদ ও বিনিয়োগের প্রতি তাদের হতাশা প্রকাশ করে। ফ্রান্সের শিক্ষকদের গড় বেতন অন্যান্য ইউরোপীয় দেশের তুলনায় কম, যা শিক্ষকদের মধ্যে অসন্তোষ সৃষ্টি করেছে।
শিক্ষকদের বেতন ৪১,৯৬৮ ইউরো (৪৬,৯০০ ডলার), যা জার্মান শিক্ষকদের ৬৯,৪৫৩ ইউরো (৭৭,৭০০ ডলার) এর তুলনায় অনেক কম।
স্থানীয় পর্যায়ে শুরু হওয়া এই আন্দোলন এখন বাণিজ্যিক ইউনিয়ন ও সরকারি কর্মচারীদেরও আকৃষ্ট করেছে, এবং এটি একটি বৃহত্তর অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক সংকটের রূপ নিয়েছে।
ফরাসি সরকার বিক্ষোভ দমনে কারফিউ ও পুলিশ মোতায়েন করেছে। প্রেসিডেন্ট ম্যাক্রোঁ উল্টোপন্থী গোষ্ঠীগুলোর বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছেন এবং সহিংসতার জন্য দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার হুমকি দিয়েছেন। তিনি শিক্ষার্থী আন্দোলনের প্রতিনিধিদের সাথে প্রথমবারের মতো বৈঠক করেছেন, তবে এটি উত্তেজনা প্রশমিত করতে পারেনি।
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ফরাসি সরকার severe fiscal crisis এবং বাজেট কাটছাঁটের কারণে শিক্ষার্থীদের দাবিগুলো মোকাবিলা করতে ব্যর্থ হচ্ছে। ২০১৭ সাল থেকে উচ্চ শিক্ষা, ছাত্র জীবন এবং গবেষণার জন্য সরকারি বাজেট ২০ শতাংশ কমেছে।
ফরাসি প্রধানমন্ত্রী সেবাস্তিয়েন লেকর্নু বলেছেন, “যুবদের মধ্যে ক্রোধ অযৌক্তিক নয়” এবং অক্টোবরের শেষের দিকে সংকট মোকাবিলায় একটি পরিকল্পনা উপস্থাপনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।