সরকার এসএসসি ও এইচএসসিতে অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের ১৫ দিনের মধ্যে পরীক্ষার সুযোগ দেওয়ার পরিকল্পনা করছে। এই সিদ্ধান্তকে যুগোপযোগী ও ঐতিহাসিক উল্লেখ করে শিক্ষাবিদরা সাধুবাদ জানিয়েছেন।
এ বছর ১৮ লাখ ২৯ হাজার এসএসসি শিক্ষার্থীর মধ্যে প্রায় ৭ লাখ ফেল করেছে, যা পাসের হারকে ৬২ দশমিক দুই পাঁচে নেমে এসেছে। এটি গত ৫ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন পাসের হার। শিক্ষার্থীদের বিষয়ভিত্তিক ফল বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ইংরেজি ও গণিতে তুলনামূলক সর্বাধিক সংখ্যক শিক্ষার্থী অকৃতকার্য হয়েছে।
শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের জন্য ১৫ দিনের মধ্যে পরীক্ষার সুযোগ দেওয়ার পরিকল্পনা। দ্যা রেডিয়াস ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের প্রিন্সিপাল হাফিজুর রহমান বলেন, ‘এমন সিদ্ধান্তের ফলে শিক্ষার্থীদের ঝড়ে পড়া অনেকটাই রোধ করা সম্ভব।’
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. মো. ফরিদুল ইসলাম মন্তব্য করেন, ‘এক বা দুই বিষয়ে ফেল করার কারণে পুরো একবছর নষ্ট করা উচিত নয়। তবে তিনের বেশি বিষয়ে অকৃতকার্যদের নিয়ে আলাদা করে ভাবা প্রয়োজন।’
মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. এ বি এম শহিদুল ইসলাম বলেন, ‘সরকারের এমন চিন্তাকে সাধুবাদ জানাই।’ শিক্ষাবিদরা সব স্তরে দ্রুত পরীক্ষার ব্যবস্থা করে অকৃতকার্যদের পুনরায় সুযোগ দেওয়ার তাগিদ দিয়েছেন।