ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) মহানগর জেনারেল হাসপাতাল ও ঢাকা মহানগর শিশু হাসপাতাল জনবল সংকটে জরুরি সেবা দিতে পারছে না। হাসপাতালগুলোতে সারি সারি বেড ফাঁকা পড়ে আছে এবং আধুনিক চিকিৎসা সরঞ্জাম ব্যবহার হচ্ছে না।
মহানগর জেনারেল হাসপাতাল, যা ১৫০ শয্যার, প্রতিদিন তিন শতাধিক রোগী বহির্বিভাগে চিকিৎসা নেন। যদিও হাসপাতালটিতে অপারেশন থিয়েটার রয়েছে, জনবল সংকটের কারণে তা অকেজো হয়ে পড়েছে। ২০২০ সালে ৫০ শয্যা থেকে ১৫০ শয্যায় উন্নীত হওয়া সত্ত্বেও জনবল কমেছে দুই ভাগ।
হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসক ডা. মো. আশরাফুল হাসান জানান, নার্স ও ডাক্তার সংকটের কারণে রোগী ভর্তি করার সময় বিবেচনা করতে হচ্ছে। হাসপাতালের পরিচালক (অতিরিক্ত দায়িত্ব) ডা. সাকিলা খাতুন বিভা বলেন, প্যাথলজির বিশেষজ্ঞ অবসরে যাওয়ার পর নতুন কাউকে নিয়োগ করা হয়নি।
অন্যদিকে, চকবাজারের ঢাকা মহানগর শিশু হাসপাতালের অবস্থাও সংকটাপন্ন। চিকিৎসক ও নার্সের অভাবে অপারেশন থিয়েটার বন্ধ হয়ে গেছে এবং রোগ নির্ণয়ের পরীক্ষাগুলোও করা যাচ্ছে না। নিউমোনিয়া ও জন্ডিস আক্রান্ত শিশুদের রাতের সেবা দিতে পারছে না হাসপাতালটি।
হাসপাতালের পরিচালক (অতিরিক্ত দায়িত্ব) ডা. হামিদা খাতুন জানান, কনসালটেন্টরা অবসরে চলে গেছেন এবং মেডিকেল অফিসারদের সংখ্যা পর্যাপ্ত নয়। ফলে জটিল রোগ নিয়ে ভর্তি হওয়া শিশুদের সন্ধ্যার পর বাড়ি ফিরতে হচ্ছে অনিশ্চয়তায়।