বরিশাল বিভাগের ৪৫ শতাংশ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নিজস্ব জমি না থাকায় জরাজীর্ণ অনেক ভবনের সংস্কার থমকে আছে। পাঁচ শতাধিক স্কুলের জমির রেকর্ড ও কাগজপত্রের সঠিক তথ্য নেই, ফলে ঝুঁকি নিয়ে এসব স্কুলে শিক্ষার্থীরা ক্লাস করছে।
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য শহরে ১০ শতাংশ এবং গ্রামাঞ্চলে ৩৩ শতাংশ জমি থাকা বাধ্যতামূলক। কিন্তু বরিশালের অনেক স্কুলের রেকর্ড থেকে শুরু করে কাগজপত্রের হদিস নেই। এ কারণে জরাজীর্ণ অনেক ভবন মেরামত করা যাচ্ছে না এবং মালিকানা সংক্রান্ত জটিলতার কারণে বরাদ্দও মিলছে না।
বরিশাল সদর প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. নাছির উদ্দিন খলিফা জানান, 'অভিযোগ পেলেও আইনি জটিলতায় ব্যবস্থা নেয়া যাচ্ছে না।' বরিশাল সিটি কর্পোরেশন এলাকায় ৮৩ বছরের পুরনো দিয়াপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ১০টি শ্রেণিকক্ষ যে কোনো সময় ধ্বসে পড়তে পারে।
প্রাথমিক শিক্ষা বিভাগের বরিশাল বিভাগীয় উপ-পরিচালক নিলুফার ইয়াসমিন বলেন, 'দ্রুত এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেয়ার এবং এসব স্কুলের উন্নয়ন কাজ শুরু করা হবে।' বরগুনার ৩৭৩টি, পটুয়াখালীতে ৭৩টি, ঝালকাঠিতে ৫২টি এবং পিরোজপুরের ২২টি স্কুলেরও একই অবস্থা রয়েছে।