বাংলাদেশে প্রতিবছর হৃদরোগে মারা যায় ৪ লাখ মানুষ, এবং নতুন আক্রান্তের সংখ্যা ১০ লাখের বেশি। অধিকাংশ রোগী উচ্চ রক্তচাপ ও ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখতে ব্যর্থ হচ্ছেন।
জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউটের গবেষণা অনুযায়ী, হাসপাতালে ভর্তি রোগীদের ৭ থেকে ৮ শতাংশের বয়স ৪০ বছরের নিচে, যা ভবিষ্যতের জন্য উদ্বেগজনক বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।
অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ উল্লাহ ফিরোজ বলেন, “হার্ট অ্যাটাক নিয়ে ভর্তি রোগীদের মধ্যে ৭ থেকে ৮ জনের বয়স ৪০ বছরের নিচে। খাদ্যাভ্যাস, জেনেটিক এবং জীবনযাত্রার প্রণালি এসবের উপর নির্ভর করছে।”
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, তামাক সেবন বন্ধ করা, খাবারে লবণ ও চর্বি কমানো, এবং রক্তচাপ ও ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ করলে হৃদরোগের ঝুঁকি ৮০ শতাংশ কমানো সম্ভব।
পপুলার মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের অধ্যাপক ডা. এ কে এম মহিউদ্দিন ভূঁইয়া মাসুম জানান, যুবক রোগীদের মধ্যে অবিসিটি ও খারাপ খাদ্যাভ্যাস দেখা যাচ্ছে। তিনি বলেন, “লাইফস্টাইল পরিবর্তন করে হৃদরোগ প্রতিরোধ করা সম্ভব।”
ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশনের অধ্যাপক ডা. সোহেল রেজা চৌধুরী বলেন, “উচ্চ রক্তচাপকে রোগ হিসেবে মানতে অনেকেই রাজি নন, যা হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ায়।”
বাংলাদেশ রিস্ক অফ অ্যাকিউট ভাস্কুলার ইভেন্টসের গবেষণায় দেখা গেছে, ৩৬ শতাংশ হৃদরোগীর বয়স ৫০ বছরের নিচে। তাই, পরিবারের অল্প বয়সে হার্ট অ্যাটাক হলে আরও সচেতন হওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকরা।