রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
ব্রেকিং
জাতীয়

বাংলাদেশের পর্যটন খাতে কাঙ্ক্ষিত বিকাশের অভাব

বাংলাদেশের পর্যটন খাতে কাঙ্ক্ষিত বিকাশের অভাব এবং বিশ্ব পর্যটন দিবসের প্রস্তুতি।

বাংলাদেশের পর্যটন খাতে কাঙ্ক্ষিত বিকাশের অভাব

বাংলাদেশের প্রাকৃতিক বৈচিত্র্য যেমন পাহাড়, সমুদ্র, নদী ও হাওর, সত্ত্বেও পাঁচ দশকের বেশি সময় ধরে পর্যটন খাতে কাঙ্ক্ষিত বিকাশ হয়নি। প্রায় দেড় হাজার পর্যটন স্পট চিহ্নিত করার লক্ষ্যমাত্রা বাস্তবায়ন হয়নি। বিদেশি পর্যটকদের জন্য ভিসা সমস্যা বড় একটি বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

আগামীকাল রোববার বিশ্ব পর্যটন দিবস পালিত হবে, যার প্রতিপাদ্য ডিজিটাল রূপান্তর ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় আগামীর পর্যটন। কক্সবাজারের দীর্ঘ সমুদ্রসৈকত, সুন্দরবনের ম্যানগ্রোভ বন, সিলেটের চা-বাগান এবং রাঙামাটি-খাগড়াছড়ি-বান্দরবান অঞ্চলের পাহাড়ের সৌন্দর্য পর্যটকদের আকৃষ্ট করে।

পর্যটকরা দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসছেন এবং তাদের জন্য হোটেল-মোটেল ও রেস্তোরাঁ গড়ে উঠেছে। পর্যটন খাতের সঙ্গে জড়িত পরিবহন ব্যবসা এবং অন্যান্য খাতে কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হচ্ছে।

টোয়াবের পরিচালক মিজানুর রহমান বলেন, 'পর্যটনের অপার সম্ভাবনার তুলনায় অবকাঠামোগত সুযোগ-সুবিধা এখনও অনেক কম। নিরাপদ যাতায়াত, মানসম্মত সেবা, পরিচ্ছন্নতা এবং বিনোদন সুবিধার ঘাটতি রয়েছে।'

বেসামরিক বিমান ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সচিব ফাহমিদা আখতার জানান, 'বর্তমানে জিডিপিতে পর্যটন খাতের অবদান ২ থেকে ৩ শতাংশ। সরকার এটি ৬ থেকে ৭ শতাংশে উন্নীত করতে চায়। ডিসেম্বরের মধ্যে ট্যুরিজম নিয়ে মহাপরিকল্পনা সংশোধনের কাজ চলছে।'

ট্যুরিজম বোর্ডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মুতাসিম বিল্লাহ ফারুকী বলেন, 'বিদেশি পর্যটকদের সংখ্যা কিছুটা কমলেও ইমেজ সংকট কাটানোর চেষ্টা চলছে। টেকসই পর্যটন উন্নয়নে বেসরকারি বিনিয়োগ বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।'

বিশ্ব পর্যটন দিবস উপলক্ষে সপ্তাহব্যাপী মেলা অনুষ্ঠিত হবে এবং প্রথমবার ১৩টি ক্যাটাগরিতে পুরস্কার প্রদান করা হবে।

বিজ্ঞাপন