অক্সফোর্ড ইকোনমিক্সের সাম্প্রতিক র্যাঙ্কিং অনুযায়ী, বিশ্বের শীর্ষ তিনটি শহর হল নিউইয়র্ক, লন্ডন এবং প্যারিস। এই র্যাঙ্কিং তৈরি করতে পাঁচটি মাপকাঠি ব্যবহার করা হয়েছে: শাসনব্যবস্থা, অর্থনীতি, মানব সম্পদ, পরিবেশ এবং জীবনযাত্রার মান।
বিশ্বের অন্যান্য শহরের তুলনায় নিউইয়র্ক, লন্ডন এবং প্যারিসের বিশেষত্ব হলো তাদের বৈচিত্র্য। উদাহরণস্বরূপ, লন্ডনে প্রায় ৪০ শতাংশ বাসিন্দা বিদেশি। এই বৈচিত্র্য শহরের সংস্কৃতি এবং জীবনযাত্রার মানকে উন্নত করেছে।
দ্বিতীয়ত, সংস্কৃতিতে বিনিয়োগ শহরগুলোর আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য। প্যারিসে ১৩০টি জাদুঘর রয়েছে, যার মধ্যে ১১টি জাদুঘর ২০০১ সাল থেকে বিনামূল্যে প্রবেশের সুযোগ দিয়ে আসছে।
তৃতীয়ত, পরিচ্ছন্নতা এবং সহজ পরিবহন ব্যবস্থা শহরগুলোর উন্নতির জন্য অপরিহার্য। লন্ডন শহরের দূষণ কমাতে কার্যকর পদক্ষেপ নিয়েছে, এবং সান ফ্রান্সিসকোর পরিবহন ব্যবস্থা ব্যবহারকারীদের জন্য সুবিধাজনক।
চতুর্থ গুণ হলো প্রযুক্তির সাথে তাল মিলিয়ে চলা। সিলিকন ভ্যালির শহরগুলোতে প্রযুক্তি জায়ান্ট যেমন অ্যাপেল এবং গুগল অবস্থিত, যা শহরগুলোকে প্রতিযোগিতামূলক রাখতে সহায়তা করে।
এই বৈশিষ্ট্যগুলো শহরগুলোকে আন্তর্জাতিক মানের করে তোলে এবং বিশ্বজুড়ে মানুষের আকর্ষণ সৃষ্টি করে।