টাঙ্গাইলের বাসাইলে নির্মাণাধীন একটি সেতুর ফুটপাতের স্ল্যাব ঢালাইয়ে রডের পরিবর্তে বাঁশ ব্যবহারের অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) অভিযান চালিয়েছে। বুধবার দুদকের টাঙ্গাইল কার্যালয় থেকে অভিযানে নেতৃত্ব দেন সহকারী পরিচালক মো. বিপ্লব হোসেন।
বিপ্লব হোসেন জানান, সেতুটিতে অভিযান পরিচালনা করে প্রাথমিকভাবে দুর্নীতির প্রমাণ পাওয়া গেছে। তিনি বলেন, "ফুটপাত স্ল্যাব ও রেলিংয়ের পিলার ভেঙে দেখা গেছে যে রডের পরিমাণ কম রয়েছে। প্রয়োজনীয় রডের তুলনায় তা যথেষ্ট নেই।"
এ ঘটনায় পুলিশ সাব-ঠিকাদার শাহ আলমকে গ্রেপ্তার করেছে। শাহ আলমকে বাসাইল পৌরসভার মাইজখাড়া সেতুর কাছ থেকে আটক করা হয়। তিনি রংপুরের পীরগাছা উপজেলার মৃত নবুর উদ্দিনের ছেলে। একই ঘটনায় এলজিইডির এক উপসহকারী প্রকৌশলী মো. মনিরুজ্জামানকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।
এছাড়া, দুই প্রকৌশলীকে কারণ দর্শানোর নোটিশও দেওয়া হয়েছে। এলজিইডির প্রধান প্রকৌশলী বেলাল হোসেন স্বাক্ষরিত অফিস আদেশের মাধ্যমে এই সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়।
বাসাইল উপজেলা প্রকৌশলী কাজী ফাত্তাউর রহমান বাদী হয়ে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের দুই ব্যক্তির বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছেন। মামলার প্রধান আসামি ঠিকাদার এসএম জাহাঙ্গীর আলম এবং সাব-ঠিকাদার শাহ আলম।
এদিকে, স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের ঢাকা অঞ্চলের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী আবুল মনজুর মুহাম্মদ ছাদেক ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। তদন্তের জন্য উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ইকবাল হোসেনের স্বাক্ষরে তিন সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে।