যুক্তরাষ্ট্র অবৈধ অভিবাসীদের তৃতীয় দেশে ফিরিয়ে নিতে ৩১টি দেশের সঙ্গে একটি চুক্তির অনুমোদন করেছে। এই চুক্তির মাধ্যমে অভিবাসীদের গ্রহণের বিনিময়ে মোট ৪১ কোটি মার্কিন ডলার দেওয়া হবে বলে জানিয়েছে ‘দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট’।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ১৩টি দেশের সরকারকে সরাসরি অন্তত ৮ কোটি ১০ লাখ ডলার দেওয়া হতে পারে। সদ্য গঠিত ‘অফিস অব রিমাইগ্রেশন’-এর মাধ্যমে এই চুক্তিগুলো পরিচালিত হচ্ছে, যার নেতৃত্ব দিচ্ছেন মার্কিন কূটনীতিক ক্রিশ্চিয়ান এহার্ডট।
এহার্ডট গত জুনে আফ্রিকার বিভিন্ন দেশে সফর করেন, যেখানে তিনি আইভরি কোস্ট, গাম্বিয়া, গিনি-বিসাউ, টোগো ও গ্যাবনের সরকারের সঙ্গে আলোচনা করেন। এই চুক্তির আওতায় পাঠানো হবে এমন অভিবাসীরা গ্রহণকারী দেশের নাগরিক নন।
এর আগে কোস্টা রিকা এবং আফ্রিকার দেশ ইসোয়াতিনীতে কিছু অভিবাসী পাঠানো হয়েছে। এই অভিবাসীদের মধ্যে চীন, রাশিয়া, ইরান, আফগানিস্তান, ভিয়েতনাম, লাওস, কিউবা এবং জামাইকার নাগরিকরা রয়েছেন।
এছাড়া, শরণার্থী অবকাঠামো প্রকল্পের জন্য আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থাকে (আইওএম) ১৭ কোটি ৯০ লাখ এবং জাতিসংঘ শরণার্থী সংস্থাকে (ইউএনএইচসিআর) ১২ কোটি ৪০ লাখ ডলার দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।
কয়েকজন সাবেক ও বর্তমান মার্কিন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, যেসব দেশ ডিপোর্ট করা অভিবাসী গ্রহণে রাজি হয়েছে, তাদের সঙ্গে আলোচনার অংশ হিসেবেই এই অর্থ দেওয়া হচ্ছে।
এখন পর্যন্ত অন্তত ২৮টি তৃতীয় দেশে ২৫ হাজারেরও বেশি মানুষকে ডিপোর্ট করা হয়েছে, যার মধ্যে প্রায় ২০ হাজার মানুষকে মেক্সিকোতে পাঠানো হয়েছে।