সম্প্রতি ইরানে অনুষ্ঠিত এক সরকার-সমর্থিত বিশাল সমাবেশে হাজারো মানুষ অস্ত্র হাতে রাস্তায় বের হন। বিশ্লেষকদের মতে, এই কর্মসূচির মূল লক্ষ্য বিদেশি হামলার মোকাবিলা এবং সাধারণ নাগরিকদের সামরিক প্রশিক্ষণ দেওয়া।
সমাবেশটির নাম ‘জানফাদায়ে ইরান’ অর্থাৎ ‘ইরানের জন্য জীবন উৎসর্গকারী’। তেহরানের বিভিন্ন সড়কে সামরিক সরঞ্জামের ছবি সংবলিত ব্যানার দেখা গেছে, যেখানে লেখা ছিল, ‘আপনি কি জানেন, এসব অস্ত্র কীভাবে কাজ করে?’
এই মহড়ায় নারীদের পাশাপাশি শিশু-কিশোরদের অংশগ্রহণ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে। কর্তৃপক্ষের দাবি, এটি দেশের সাধারণ নাগরিকদের সংকট ও যুদ্ধ পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুত করতে সহায়ক হবে।
বিশ্লেষকদের মতে, এই উদ্যোগের মাধ্যমে ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) বাসিজ বাহিনীর পুরোনো ভাবমূর্তি পুনরুদ্ধার এবং অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা সক্ষমতা বাড়ানোর চেষ্টা রয়েছে।
এছাড়া, চলমান অর্থনৈতিক সংকট ও অতীতের সরকারবিরোধী বিক্ষোভের প্রেক্ষাপটে ভবিষ্যতের অভ্যন্তরীণ অস্থিরতা মোকাবিলার জন্যও এটি একটি প্রস্তুতি হিসেবে দেখা হচ্ছে।
বিশ্লেষকরা বলছেন, ইরানের এই ঐক্যের বার্তা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে নতুন সংঘাতের আশঙ্কা বাড়িয়ে তুলছে।