দিল্লির প্রায় সব মাল্টিপ্লেক্সে 'মির্জাপুর: দ্য মুভি' সিনেমাটি হাউসফুল হচ্ছে। এই সিনেমা, যা ৩ ঘণ্টার বেশি সময় ধরে দর্শকদের ধরে রাখতে সক্ষম, বলিউডের জন্য একটি নতুন মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির খবর অনুযায়ী, সিনেমাটির আয় ৩০০ কোটি টাকা ছাড়িয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ওটিটি থেকে বড় পর্দায় আসা মির্জাপুর ফ্র্যাঞ্চাইজিটি এখন ইতিহাস গড়ার পথে রয়েছে।
সিনেমাটি বলিউডের বক্স অফিসকে বিপরীতমুখী করে দেখিয়েছে যে, আসল তারকা এখন কোনো একক ব্যক্তি নন, বরং একটি শক্তিশালী ফ্র্যাঞ্চাইজি। এই ফ্র্যাঞ্চাইজিটি দর্শকদের মধ্যে আগ্রহ সৃষ্টি করতে সক্ষম হয়েছে, যা সিনেমা হলে তাদের উপস্থিতি নিশ্চিত করেছে।
মেগাসিটি থেকে শুরু করে মফস্বল—সবখানেই 'মির্জাপুর: দ্য মুভি' যথেষ্ট সাড়া ফেলেছে। এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়, সিনেমাটির জনপ্রিয়তার পেছনে মূল কারণ হলো দর্শকদের পূর্ব পরিচিতি। গুড্ডু পণ্ডিত, কালীন ভাইয়া, বীণা ত্রিপাঠি ও গোলুর মতো চরিত্রগুলো দর্শকদের কাছে আগে থেকেই পরিচিত।
ভারতীয় চলচ্চিত্র সমালোচকরা বলছেন, এই সাফল্য সিনেমা ও ওটিটি উভয় ইন্ডাস্ট্রির জন্য বড় বার্তা নিয়ে এসেছে। অ্যামাজন এমজিএম স্টুডিওস এবং এক্সেল এন্টারটেইনমেন্টের এই মডেল প্রমাণ করেছে যে, জনপ্রিয় ওয়েব সিরিজগুলো বড় পর্দায় লাভজনক ফ্র্যাঞ্চাইজিতে রূপ নিতে পারে।
২৫ বছর আগে 'দিল চাহতা হ্যায়' দিয়ে শহুরে বলিউডের রূপ বদলে দেওয়া এক্সেল এন্টারটেইনমেন্ট এবার দেশের সবচেয়ে কাঁচা ও মাস-ওটিটি বিশ্বকে বড় পর্দায় সফলভাবে হাজির করে বিনোদন জগতের রীতিনীতিতে পরিবর্তন আনতে সক্ষম হয়েছে।