রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
ব্রেকিং
জাতীয়

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় নবীনবরণের কনসার্ট বন্ধের দাবি কওমি ছাত্র ঐক্য পরিষদের

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় নবীনবরণের কনসার্ট বন্ধের দাবি জানিয়েছে কওমি ছাত্র ঐক্য পরিষদ।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় নবীনবরণের কনসার্ট বন্ধের দাবি কওমি ছাত্র ঐক্য পরিষদের

ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরকারি কলেজে নবীনবরণ উপলক্ষে কনসার্ট বন্ধের দাবি জানিয়েছে কওমি ছাত্র ঐক্য পরিষদ। গতকাল শুক্রবার ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ (সদর ও বিজয়নগর) আসনের সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার খালেদ হোসেন মাহবুব শ্যামল ও জেলা পরিষদের প্রশাসক সিরাজুল ইসলামের কাছে পৃথক স্মারকলিপি প্রদানের মাধ্যমে তারা এই দাবি জানায়।

কওমি ছাত্র ঐক্য পরিষদের স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়, ব্রাহ্মণবাড়িয়া ঐতিহাসিকভাবে ইসলাম, ইলম, আলেম-ওলামা ও ধর্মীয় মূল্যবোধের একটি সমৃদ্ধ জনপদ। এ জেলার সামাজিক ও সাংস্কৃতিক পরিবেশ ধর্মীয় মূল্যবোধের সঙ্গে গভীরভাবে জড়িত। তারা জানান, আগামী ১৪ সেপ্টেম্বর নবীনবরণ উপলক্ষে গানের কনসার্ট আয়োজনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

স্মারকলিপিতে বলা হয়, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নবীনদের বরণ আনন্দঘন ও উৎসবমুখর হতে পারে, তবে তা যেন শিক্ষার পরিবেশ, সামাজিক শৃঙ্খলা এবং ধর্মীয় মূল্যবোধের সঙ্গে সাংঘর্ষিক না হয়। অতীতে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বিভিন্ন কনসার্টে অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি ও দুর্ঘটনা ঘটেছে, যা জনমনে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া কওমি ছাত্র ঐক্য পরিষদের সদস্য ফুজায়েল আহমেদ খান বলেন, ‘স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় গান-বাজনা বন্ধের মতোই। ৩০ জন ছাত্র আহত হয়েছিল এই কনসার্টের কারণে। তারা কি আবারও সেই পরিস্থিতি তৈরি করতে চায়?’

ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক এ. কে. এম. ওবায়দুল হক জানান, তারা এমপি ও জেলা পরিষদ প্রশাসকের কাছে গেছেন, তবে কলেজ কর্তৃপক্ষের কাছে আসেননি। তিনি বলেন, ‘আমরা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান করব, তবে এটি কনসার্ট নয়। আমাদের তিনটি কর্মসূচি রয়েছে: নবীনবরণ, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও বৃক্ষরোপণ।’

এর আগে গত ১৮ আগস্ট ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা পুলিশ লাইনে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে হামলার ঘটনা ঘটে। উচ্চশব্দে গান বাজানো নিয়ে পার্শ্ববর্তী জামিয়া দারুল আরকাম আল-ইসলামিয়া মাদরাসার শিক্ষার্থীরা সেখানে চড়াও হন, যা সংঘর্ষে রূপ নেয়।

বিজ্ঞাপন