রাজবাড়ীর ধাওয়াপাড়া-পাবনার নাজিরগঞ্জ নৌরুটে পদ্মা নদীর পানি বৃদ্ধি ও তীব্র স্রোতের কারণে গত ছয় দিন ধরে ফেরি চলাচল বন্ধ রয়েছে। এ পরিস্থিতিতে যাত্রী, চালক ও ব্যবসায়ীরা চরম দুর্ভোগে পড়েছেন।
ফেরি চলাচল বন্ধ থাকায় ঘাটে এসে অনেক যানবাহন ফিরে যেতে বাধ্য হচ্ছে। অনেক যাত্রী দীর্ঘ ও বিকল্প পথে গন্তব্যে পৌঁছানোর চেষ্টা করছেন, যা তাদের জন্য সময় ও অর্থ উভয়ই বাড়িয়ে দিয়েছে।
জানা গেছে, জরুরি প্রয়োজনে অনেক যাত্রী ইঞ্জিনচালিত ট্রলার ও স্পিডবোটে ঝুঁকি নিয়ে পদ্মা পার হচ্ছেন। তবে এসব নৌযানে পর্যাপ্ত লাইফ জ্যাকেটের অভাব রয়েছে, যা যাত্রীদের নিরাপত্তার জন্য উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ৬ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যার পর থেকে নদীতে পানি ও স্রোত বাড়তে শুরু করলে ফেরি চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। ধাওয়াপাড়া ঘাটে থাকা দুটি ফেরির মধ্যে একটি দীর্ঘদিন ধরে বিকল রয়েছে। অন্য ফেরিটি তীব্র স্রোতের কারণে নিরাপদে চলাচল করতে পারছে না।
স্থানীয়দের অভিযোগ, পুরোনো ফেরি ও নিয়মিত সংস্কারের অভাবে এ নৌরুটে প্রায়ই ফেরি চলাচল ব্যাহত হয়। তারা দ্রুত বিকল্প ফেরি নামানোর পাশাপাশি বিকল ফেরিগুলো মেরামতের দাবি জানিয়েছেন।
বিআইডব্লিউটিসির ধাওয়াপাড়া ফেরিঘাটের টার্মিনাল সুপারিনটেনডেন্ট সুমন খান বলেন, 'তীব্র স্রোতের কারণে ছয়দিন ধরে ফেরি চলাচল বন্ধ রয়েছে। ফেরির চাহিদার বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। বিষয়টি কর্তৃপক্ষ দেখছে।'
যদি দ্রুত ফেরি চলাচল স্বাভাবিক না করা হয়, তাহলে যাত্রী ও পরিবহন সংশ্লিষ্টদের দুর্ভোগ আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।