বাগেরহাটের রামপালে বিমানবন্দর নির্মাণে নতুন আশার আলো দেখাচ্ছে চীনের রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান। দীর্ঘ তিন দশক ধরে স্থগিত থাকা খানজাহান আলী বিমানবন্দর প্রকল্পটি বাস্তবায়নের জন্য চীনা কোম্পানি প্রস্তুতি নিচ্ছে।
সম্প্রতি, প্রকল্প এলাকা পরিদর্শন করেছে চীনের 'চায়না ন্যাশনাল মেশিনারি ইম্পোর্ট অ্যান্ড এক্সপোর্ট করপোরেশন'-এর প্রতিনিধি দল। তারা জানান, বাংলাদেশ সরকারের সংশ্লিষ্ট বিভাগের সঙ্গে আলোচনা করে প্রকল্পটি বাস্তবায়নে আন্তরিকভাবে কাজ করতে চান।
২০১৫ সালে দ্বিতীয় দফায় বিমানবন্দর নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হলেও নানা জটিলতার কারণে তা বাস্তবায়ন হয়নি। বিএনপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর প্রকল্পটি আবার চালু হয়েছে।
পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ড. শেখ ফরিদুল ইসলাম জানান, প্রকল্পটি পুনরায় চালুর চেষ্টা চলছে এবং চায়না কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা অব্যাহত রয়েছে।
স্থানীয়রা মনে করেন, বিমানবন্দর নির্মাণ হলে তাদের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে। খুলনা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান এস এম শফিকুল আলম মনা বলেন, সিভিল এভিয়েশনের কাছে বিমানবন্দর সংক্রান্ত প্রস্তাবনা জমা পড়েছে।
প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে এ অঞ্চলের অর্থনীতিতে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন হবে। বিমানবন্দর নির্মাণে দুই ধাপে মোট ৬৩০ একর জমি অধিগ্রহণ করা হয়েছে, সীমানাপ্রাচীর নির্মাণ ও আংশিক ভূমি ভরাটের কাজও সম্পন্ন হয়েছে।