শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
ব্রেকিং
জাতীয়

চট্টগ্রামে কনটেইনারে ১ লাখ ২১ হাজার কেজি পণ্য নেই, তদন্ত শুরু

চট্টগ্রামে কনটেইনারে ১ লাখ ২১ হাজার কেজি পণ্য না পাওয়ায় তদন্ত শুরু হয়েছে।

চট্টগ্রামে কনটেইনারে ১ লাখ ২১ হাজার কেজি পণ্য নেই, তদন্ত শুরু

চট্টগ্রাম নগরের ‘এছাক ব্রাদার্স ডিপো’ থেকে পাঁচটি কনটেইনারে পণ্য রপ্তানির আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করা হয়েছিল। কাস্টমসের স্বয়ংক্রিয় সফটওয়্যার অ্যাসাইকুডা ওয়ার্ল্ডে এই কনটেইনারগুলোকে রপ্তানি চালান হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। তবে, কাস্টমস গোয়েন্দাদের তল্লাশিতে দেখা যায়, কনটেইনারগুলোর কোনোটিতেই পণ্য নেই।

কাস্টমস সূত্রে জানা যায়, সন্দেহজনক কনটেইনারগুলোতে পণ্যভর্তি দেখিয়ে রপ্তানির জন্য প্রস্তুত করা হয়েছিল। এই ঘটনায় তোলপাড় শুরু হলে দুটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। দুই কমিটিতে মোট ১০ জন সদস্য রাখা হয়েছে।

কাস্টমস গোয়েন্দা অধিদপ্তরের যুগ্ম পরিচালক সাগর সেন জানান, বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করা হচ্ছে এবং তদন্তের অংশ হিসেবে সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ সংগ্রহ করা হয়েছে।

এদিকে, সংশ্লিষ্ট সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট মেসার্স প্রিন্স মোবিং এজেন্সির মালিক মাহমুদ হাসানের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।

রপ্তানি প্রক্রিয়ায় সাধারণত পণ্য প্রথমে ইনল্যান্ড কনটেইনার ডিপোতে নেওয়া হয়। কিন্তু এই ঘটনায় পাঁচটি কনটেইনার কাস্টমস-সংক্রান্ত আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করে জাহাজে তোলার প্রস্তুতি নিচ্ছিল। কাস্টমস গোয়েন্দারা চালানটি আটকে দেওয়ায় প্রায় ৪ লাখ ৩৮ হাজার মার্কিন ডলার বা প্রায় ৫ কোটি ৫০ লাখ টাকার সন্দেহজনক ভুয়া রপ্তানি ঠেকানো গেছে।

এ বিষয়ে আইসিডি কমিশনারেট, চট্টগ্রামের অতিরিক্ত কমিশনার মাহবুবুর রহমান জানিয়েছেন, যুগ্ম কমিশনার সাইদ আহমেদ রুবেলের নেতৃত্বে পাঁচ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে।

বাংলাদেশের তৈরি পোশাকের প্রধান রপ্তানি বাজার ইউরোপীয় ইউনিয়নের দেশগুলো, তবে আলোচ্য পাঁচটি চালানের গন্তব্য হিসেবে সংযুক্ত আরব আমিরাত ও ফিলিপাইনের নাম উল্লেখ করা হয়েছিল। এ কারণে কাস্টমস গোয়েন্দাদের মধ্যে আরও সন্দেহ তৈরি হয়।

বিজ্ঞাপন