বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
ব্রেকিং
জাতীয়

কৃষকদের অভিযোগে সার সংকট ও মূল্যবৃদ্ধির অস্থিরতা

কৃষকদের অভিযোগ, সার মিলছে না নির্ধারিত দামে, সৃষ্টি হচ্ছে কৃত্রিম সংকট।

কৃষকদের অভিযোগে সার সংকট ও মূল্যবৃদ্ধির অস্থিরতা

রবিশস্য ও আমান আবাদকে সামনে রেখে সার নিয়ে বিভিন্ন জেলায় অস্থিরতা সৃষ্টি হয়েছে। কৃষকদের অভিযোগ, তারা চাহিদা অনুযায়ী সার পাচ্ছেন না এবং যা পাচ্ছেন, সেটিও সরকার নির্ধারিত দামের তুলনায় বেশি দামে কিনতে হচ্ছে।

জেলা ভিত্তিক পর্যাপ্ত বরাদ্দ থাকার দাবি জানাচ্ছে কৃষি বিভাগ। তবে প্রশাসন বলছে, কৃষকরা গুজবে বিভ্রান্ত হয়ে কৃত্রিম সংকট তৈরি করছেন। নীলফামারীতে ইউরিয়া, পটাশ ও টিএসপি সারের চাহিদা বেশি। জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, এ মাসে ৩ হাজার ২৫৬ মেট্রিক টন ইউরিয়া, ১ হাজার ৭৭ মেট্রিক টন পটাশ এবং ২২৮ মেট্রিক টন টিএসপির চাহিদা রয়েছে।

এদিকে, কৃষকরা অভিযোগ করছেন, বাজারে পর্যাপ্ত সার পাওয়া যাচ্ছে না। দিনাজপুরে কৃষকদের দাবি, বেশি দামে সার বিক্রির প্রমাণ গোপন করতে তাদের কোনো রশিদ দেওয়া হচ্ছে না। যশোরেও একই অবস্থা বিরাজ করছে। পরিবহন খরচের অজুহাত তুলে অনেক ডিলার অতিরিক্ত দাম আদায়ের চেষ্টা করছেন।

যশোর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের ভারপ্রাপ্ত উপপরিচালক মো. আবুল হাসান বলেন, “জেলাভিত্তিক পর্যাপ্ত বরাদ্দ রয়েছে। তবে কিছু অসাধু ব্যবসায়ী কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে বাড়তি দাম নেওয়ার চেষ্টা করছে।”

রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার মো. ইউসুফ আলী জানান, সার সংকট নিয়ে কৃত্রিম সংকট তৈরি করার চেষ্টা চলছে। কুড়িগ্রামে চলতি মাসের চাহিদা অনুযায়ী পর্যাপ্ত সার বরাদ্দ পাওয়ার কথা জানিয়েছে জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর।

এদিকে, রৌমারিতে সার লুটের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লেও প্রশাসন দাবি করেছে, সেখানে কোনো লুটের ঘটনা ঘটেনি। সরকার খোলাবাজারে ইউরিয়া ও টিএসপি সারের দাম কেজিপ্রতি ২৭ টাকা নির্ধারণ করেছে। ডিএপি ও এমওপি'র দর নির্ধারণ করা হয়েছে ২০ টাকা।

বিজ্ঞাপন