মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
ব্রেকিং
ফিচার

পাহাড়ে ভ্রমণের চ্যালেঞ্জ: এক তরুণের অভিজ্ঞতা

এক তরুণের পাহাড়ে ভ্রমণের চ্যালেঞ্জ ও অভিজ্ঞতা তুলে ধরা হয়েছে।

পাহাড়ে ভ্রমণের চ্যালেঞ্জ: এক তরুণের অভিজ্ঞতা

২০২৬ সালের আগস্টে দুর্গম পাহাড়ে চার দিনের ভ্রমণের অভিজ্ঞতা শেয়ার করেছেন এক তরুণ। তিনি জানান, পূর্ব অভিজ্ঞতা ছিল সীমিত, যা ছিল চাঁদের গাড়িতে সাজেকে যাওয়া এবং মিরিঞ্জা ভ্যালিতে এক রাত কাটানো।

ভ্রমণের সময়, ২০ জনের একটি দলের সাথে পাহাড়ের সৌন্দর্য উপভোগের পাশাপাশি বিভিন্ন পেশার মানুষের জীবন সংগ্রামের গল্প শোনার সুযোগ হয়েছিল। দলের সদস্যদের মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, ব্যাংকার, উদ্যোক্তা, সাংবাদিক ও ব্যবসায়ী ছিলেন।

থানচিতে পৌঁছানোর পর, নিবন্ধন ও চেক-ইন প্রক্রিয়া শেষে সাঙ্গু নদীর পাড়ে নেমে তারা ইঞ্জিনচালিত নৌকায় উঠেন। নদীর স্রোত থাকলেও সেদিনের পরিস্থিতি খুব বেশি উত্তাল ছিল না। তবে, নদীর সৌন্দর্য দেখে তাদের মধ্যে ভয় কেটে যায়।

নৌকা থেকে নেমে তারা পাহাড়ের দিকে যাত্রা শুরু করেন। প্রথমে ২০-২৫ ফুট উঁচু পাহাড়ি ঢাল বেয়ে এগিয়ে যেতে হয়। তাদের মধ্যে কিছু সদস্য পাহাড়ি ঝিরির শব্দ শুনে আনন্দিত হন, কিন্তু ক্লান্তি বাড়তে থাকে।

পাহাড়ের খাড়া ঢাল পার হওয়ার সময় কিছু সদস্য কষ্ট অনুভব করেন। তাদের মধ্যে কেউ কেউ এতটাই ক্লান্ত হয়ে পড়েন যে বিশ্রাম ছাড়া এগিয়ে যাওয়া কঠিন হয়ে পড়ে।

অবশেষে তারা সাওডং পাড়ায় পৌঁছান, যেখানে মারমা জনগোষ্ঠীর সর্দারের বাড়িতে রাতের খাবারের ব্যবস্থা করা হয়েছিল। সারাদিনের যাত্রায় খাবারের অভাব ছিল। রাতের খাবারের অপেক্ষায় তারা ছিলেন।

রাতের খাবারের সময় পরবর্তী দিনের পরিকল্পনা জানানো হয়, যেখানে বলা হয় যে পরের দিন ট্রেকটি তাদের জন্য “কষ্টকর” হবে। তরুণটি গভীর ঘুমের অপেক্ষায় থাকলেও চিন্তা করছিলেন যে, “একটু কষ্টকর” শব্দটি কি আসলে একটু?

বিজ্ঞাপন