চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে ফেরদৌস শিপ ইয়ার্ডে ১০ শ্রমিকের মৃত্যুর কারণ হিসেবে বিষাক্ত হাইড্রোজেন সালফাইড গ্যাস শনাক্ত হয়েছে। প্রাথমিক তদন্তে দেখা গেছে, জাহাজের ব্যালাস্ট ট্যাংকে এই গ্যাস পানির সাথে দ্রবীভূত অবস্থায় ছিল।
তদন্ত দল জানায়, গ্যাসের উৎপত্তি কীভাবে হয়েছে, তা নিশ্চিত নয়। তবে বিশেষজ্ঞদের ধারণা, ট্যাংক কাটার সময় গ্যাস বাতাসে মিশে শ্রমিকদের আক্রান্ত করেছে।
দুর্ঘটনার কয়েক ঘণ্টা পর পরিচালিত পরীক্ষায় বাতাসে গ্যাসের মাত্রা ১০ দশমিক ৮ পিপিএম পাওয়া গেছে। কিন্তু শ্রমিকদের আক্রান্ত হওয়ার সময় গ্যাসের ঘনত্ব কত ছিল, তা জানা যায়নি।
বিএসবিআরএ পরিচালক আমজাদ এইচ চৌধুরী জানান, জাহাজের পানিভর্তি ব্যালাস্ট ট্যাংকে এ ধরনের গ্যাসের উপস্থিতি অস্বাভাবিক। উল্লেখ্য, জাহাজটির আরও দুটি ব্যালাস্ট ট্যাংক আগেই কাটা হয়েছে।
গত ১৪ আগস্ট এলএনজিবাহী পুরনো জাহাজ এমটি রাসি কাটার সময় এই বিষাক্ত গ্যাসের সংক্রমণে ১০ শ্রমিকের মৃত্যু ঘটে। এ ঘটনায় শুরুতে তিনটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়, পরে বিষাক্ত গ্যাসের উৎপত্তি অনুসন্ধানে তিন সদস্যের বিশেষ কমিটি গঠন করা হয়।