শনিবার, ২২ আগস্ট, ২০২৬
ব্রেকিং
জাতীয়

চট্টগ্রামের জাহাজ ভাঙা শিল্পে দুর্ঘটনা ও প্রাণহানির উদ্বেগ

চট্টগ্রামের জাহাজ ভাঙা শিল্পে দুর্ঘটনা ও প্রাণহানির ঘটনা উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে।

চট্টগ্রামের জাহাজ ভাঙা শিল্পে দুর্ঘটনা ও প্রাণহানির উদ্বেগ

চট্টগ্রামের উপকূলের জাহাজ ভাঙা শিল্প দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখলেও, ঘনঘন দুর্ঘটনা ও প্রাণহানির ঘটনা খাত সংশ্লিষ্টদের মধ্যে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। তারা এখন প্রশ্ন তুলছেন, জাহাজ ভাঙার মাধ্যমে লাভ হচ্ছে বেশি, নাকি ক্ষতি বাড়ছে।

এই শিল্পের সঙ্গে জড়িয়ে আছে বিশাল কর্মসংস্থান এবং ইস্পাত শিল্পের বিকাশ। দেশে প্রায় দুই লাখ মানুষ প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে এই খাতে জড়িত। গত বছর, বিশ্বের ৩২১টি পরিত্যক্ত জাহাজের মধ্যে চট্টগ্রামের ইয়ার্ডে ভাঙা হয়েছে ৮৮টি স্ক্র্যাপ জাহাজ।

বাংলাদেশ শিপ ব্রেকিং ও রিসাইক্লিং এসোসিয়েশনের তথ্য অনুযায়ী, এখানে বছরে ১ কোটি মেট্রিক টনের বেশি পণ্য রিসাইক্লিং হচ্ছে। তবে, শ্রমিকদের হতাহতের সংখ্যা বাড়ছে। এ বছর বিভিন্ন ইয়ার্ডে অন্তত ১৯ শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে, যা গত ৮ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ।

শিল্প গবেষক মোহাম্মদ আলী শাহীন বলেন, "শ্রমিকদের জন্য ট্রেইনিং সেন্টার এবং নিরাপত্তার সরঞ্জাম প্রয়োজন। নজরদারি ও তদারকি বাড়াতে হবে।"

অন্যদিকে, মালিকপক্ষ সরকারের নীতি সহায়তার দাবি করেছেন। বিএসবিআরএ–এর সভাপতি মোহাম্মদ মহসিন বলেন, "আমাদের ওপর অনেক বাধা আসছে, তবে সরকারের পক্ষ থেকে কিছু সহায়তা পাওয়া যাচ্ছে।" তিনি জানান, বৈশ্বিক অস্থিরতার কারণে জাহাজ ভাঙা শিল্পে বিনিয়োগ ও আয় কমেছে। ২০২১ সালে ৩০ লাখ মেট্রিক টন লোহার ভাঙার বিপরীতে, ২০২৫ সালে তা নেমে আসে ১০ লাখ টনে।

বিজ্ঞাপন