কক্সবাজারের টেকনাফ পৌরসভার কাউন্সিলর ও উপজেলা যুবলীগের সভাপতি একরামুল হক হত্যার মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায়, সাবেক ও বর্তমান ৩ সেনা কর্মকর্তাসহ চারজনকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২।
ট্রাইব্যুনাল একইসঙ্গে শেখ হাসিনাসহ পলাতক এই মামলার বাকি ৭ আসামিকে আত্মসমর্পণের জন্য পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশেরও নির্দেশ দিয়েছেন। গ্রেপ্তার দেখানো আসামিরা হলেন– দুইজন ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. মাহাবুব আলম ও মিফতাহ উদ্দিন আহমেদ, অবসর প্রস্তুতিমূলক ছুটিতে থাকা কর্নেল আনোয়ার লতিফ খান এবং কক্সবাজারের টেকনাফের সাবেক সংসদ সদস্য আবদুর রহমান বদি।
মঙ্গলবার সকালে তাদের আনার পর গ্রেপ্তার দেখাতে ট্রাইব্যুনাল-২ এ উপস্থাপন করা হয়। এই মামলার পরবর্তী কার্যক্রম ৭ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত হবে।
গত ২৬ জুলাই শেখ হাসিনাসহ ১১ আসামির বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আমলে নেন আদালত। সেসময় পলাতক থাকা ৮ আসামির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয় এবং গ্রেপ্তার থাকা তিন আসামিকে হাজির করার নির্দেশ দিয়েছিলেন ট্রাইব্যুনাল-২।
এরপর ২৭ জুলাই ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মিফতাহ উদ্দিন আহমেদকে সেনা হেফাজতে নেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর)। সেখান থেকে মঙ্গলবার তাকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হলো। বাকি তিন আসামি অন্য মামলায় আগে থেকেই গ্রেপ্তার ছিলেন।